দেবাঞ্জন দাস, ১৪ জানুয়ারি, কলকাতা:

চা চক্রে এসে আজ দক্ষিণ কলকাতা টালিগঞ্জের মন্ডল -৩ এ রাজ্য বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ সরব হন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ভারতে কোটি কোটি কৃষক আছেন। কিন্তু শুধুমাত্র কিছু জায়গায় এই কৃষক আন্দোলন হচ্ছে। ভারত সরকার কৃষি বিল এনেছে, তা কৃষকদের উন্নতির জন্যই। এতদিন পর্যন্ত কৃষকরা শোষিত হতেন। কিন্তু এই কৃষি বিল এর জন্য কৃষকরা শোষণের শিকার হবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষকদের পাওনা টাকা থেকে বঞ্চিত করছেন। রাজ্যের কৃষকরা তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম এর সঙ্গে নেই।

প্রায় দেড় কোটি মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পেয়েছেন। কিন্তু এই রাজ্যের মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাননি।
তিনি যোগ করেন, রাজ্যের মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের সুযোগ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ বারবার করে আসছে।

গত ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও দুয়ারে সরকার প্রকল্প চালু করেছেন । যদি ১০ বছর তার রাজ্যের সমস্ত কাজ হয়ে গিয়ে থাকত তাহলে দুয়ারে সরকার প্রকল্প চালু করতে হতোনা। সম্পূর্ণ ভাঁওতাবাজি করে তিনি ১০ বছর রাজ্য চালিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গে এখন অশান্তি, দাঙ্গা, খুন এইসব নিয়েই প্রত্যেকটা দিন মানুষকে বাঁচতে হচ্ছে। তৃনমূলের মন্ত্রিসভা থেকে একে একে মন্ত্রী পদত্যাগ করছেন, মেয়র পদত্যাগ করছেন। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে তৃনমূলের ভিত নড়ে উঠেছে। তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ করার চেষ্টা করছে এই সরকার।
তিনি দাবি করেন, এই মুহূর্তে যদি নির্বাচন হয় তাহলে বিজেপি সরকার গঠন করবে। যদি সঠিকভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করা হয় তাহলে জনগণই পরাজিত করবে তৃণমূল সরকারকে ।
একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে যেমন বিজেপি কেন্দ্রে সরকার গঠন করেছে, তেমনি এ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় আসবেন। এমনটাই দাবি বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষের।

চা চক্রে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টালিগঞ্জ মন্ডল-৩ এর সভাপতি পার্থ পাল, টালিগঞ্জের কনভেনার তুষার মুখার্জি, কো-কনভেনার দিলীপ চন্দ্র, জেলা সভাপতি শংকর শিকদার, সাধারণ সম্পাদক শশী অগ্নিহোত্রী, শীর্ষেন্দু ব্যানার্জি, গঙ্গাধর চ্যাটার্জী, মেঘনাথ পোদ্দার প্রমূখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *