ডিজিটাল; চন্দ্রিমা চৌধুরী: ডার্ক চকোলেটে বেশ কয়েকটি যৌগ রয়েছে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, যেমন ফ্ল্যাভানল এবং পলিফেনল। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‌্যাডিক্যাল নিরপেক্ষ করে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস প্রতিরোধ করে।

অত্যধিক পরিমাণে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল শরীরের কোষ এবং টিস্যুতে যে ক্ষতি করতে পারে যাকে আমরা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বলে থাকি। সময়ের সাথে সাথে, অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের প্রভাব বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করতে পারে যেমন :হৃদরোগ,ডায়াবেটিস, পারকিনসন রোগ,আলঝেইমার রোগ ,ক্যান্সার ,চোখের রোগ ইত্যাদি।

ডার্ক চকোলেটে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভূমিকা :

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তেমনি জটিল রোগও ধারে কাছেও ঘেঁষতে দেয় না।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটলে, পুরো শরীরই সুস্থ থাকে।

ডার্ক চকলেটে দুই ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। একটি হলো ফ্ল্যাভানল এবং পলিফেনল যা শরীরের গঠনে সাহায্য করে থাকে।

এতে থাকা ফ্ল্যাভানল রক্তের প্রবাহ এত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয়, যে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কাও একেবারে কমে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে।

ডার্ক চকলেটে ক্যালসিয়াম থাকে এবং এই ক্যালসিয়াম ত্বকের ক্ষয় রোধ করে ও নতুন ত্বক তৈরীতে সাহায্য করে । তাছাড়া ডার্ক চকলেটে অ্যান্টি – অক্সিডেণ্ট থাকে যা ত্বককে সুর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে।