ভারতে যথাযথ ভাবে চাষের বিষয়ে প্রচারে উৎসাহ জোগাতে কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রক এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের জন্য ড্রোন প্রযুক্তিকে সাশ্রয়ী করে তুলতে এক নির্দেশিকা জারি করেছে। এর জন্য ‘কৃষিতে যন্ত্রাংশের ব্যবহার নীতি’ (এসএমএএম) সংশোধন করা হয়েছে। এই সংশোধিত নির্দেশিকা অনুযায়ী কৃষকদের ক্ষেত্রীয় পর্যায়ে বৃহত্তর উপায়ে প্রযুক্তির বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে ফার্ম মেশিনারি ট্রেনিং অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট,আইসিএআর প্রতিষ্ঠান, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র এবং রাজ্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি থেকে ড্রোন কেনার জন্য কৃষি ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহারের খরচ হিসাবে ১০০ শতাংশ অর্থ বা ১০লক্ষ টাকা (যেটি কম হবে) অনুদান দেওয়া হবে। কৃষিজাত পণ্য উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি (এফপিও) কৃষকদের ক্ষেত্রীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণের জন্য কৃষি ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহারের খরচের ৭৫% পর্যন্ত অনুদান পাবে।

তবে যারা ড্রোন কিনতে চায় না, কিন্তু তারা হাই-টেক হাব, ড্রোন নির্মাতা এবং স্টার্ট-আপ সংস্থা থেকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ড্রোন ভাড়া করবে, সেই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলিকে হেক্টর প্রতি ছয় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সেইসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী সংস্থা,যারা এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ড্রোন কিনবে ,তাদের হেক্টর প্রতি ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এই আর্থিক সহায়তা এবং অনুদান ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পাওয়া যাবে।

এই পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দেশে সাধারণ মানুষের কাছে ড্রোনকে আরও সহজলভ্য করে তুলবে এবং অভ্যন্তরীণ ড্রোন উৎপাদনে উল্লেখযোগ্যভাবে উৎসাহ জোগাবে।তবে অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক (এমওসিএ) এবং ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) শর্তসাপেক্ষে অব্যাহতি রুটের মাধ্যমে ড্রোন পরিচালনার অনুমতি দেবে। উল্লেখ্য গত বছর ২৫ আগস্ট অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক দেশে ড্রোনের ব্যবহার ও পরিচালনা নিয়ন্ত্রণে ‘ড্রোন নিয়ম ২০২১’প্রকাশ করে। কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগ কৃষি, বনজ সম্পদ রক্ষায়,শস্য সুরক্ষার জন্য কীটনাশক প্রয়োগ এবং মাটি ও ফসলের পুষ্টির জন্য স্প্রে করা সহ ড্রোন ব্যবহারের জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) জারি করেছে।

সূত্র পি আই বি

Leave a Reply

Your email address will not be published.