ওয়েব ডেস্ক; ১২ ফেব্রুয়ারি: সরকার আয়কর আইন মোতাবেক সমবায় সমিতিগুলিকে রেহাই দিতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিয়েছে :

১. আয়কর আইন ১৯৬১-র 80P ধারা অনুযায়ী ফেডারেল কোঅপারেটিভ সোসাইটিগুলিকে দুধ সরবরাহে যুক্ত একটি প্রাইমারি কোঅপারেটিভ সোসাইটি কেন্দ্রীয় সোসাইটিকে দুধ সরবরাহ সংক্রান্ত মোট মুনাফার জন্য ছাড় পাওয়ার যোগ্য।

২. ১ কোটি টাকার বেশি এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত আয়ে সমবায় সমিতিগুলির ওপর ধার্য সারচার্জ ১২% থেকে কমিয়ে ৭% করা হয়েছে।

৩. কোম্পানীগুলির মতোই সমবায় সমিতিগুলির জন্য বিকল্প ন্যূনতম করের হারও ১৮.৫% থেকে কমিয়ে ১৫% করা হয়েছে।

৪. যেখানে একটি প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি (পিএসিএস) অথবা একটি এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (পিসিএআরডিবি) তার সদস্যদের গচ্ছিত অর্থ ফিরিয়ে দেয় অথবা যদি একটি পিএসিএস অথবা একটি পিসিএআরডিবি-কে তার সদস্যরা সেই ঋণ নগদে ফিরিয়ে দেয় তবে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না যদি সেই ঋণের পরিমাণ অথবা তাদের বাকি বকেয়া সহ গচ্ছিতের পরিমাণ ২ লক্ষ টাকার কম হয় তারজন্য আয়কর আইনের 269T ধারাকে সংশোধন করা হয়েছে। পূর্বে এই সীমা ছিল সদস্য প্রতি ২০ হাজার টাকা।

৫. সমবায় সমিতিগুলির জন্য নগদ তোলার ওপর টিডিএস-এর জন্য ৩ কোটি টাকার সর্বোচ্চ সীমার সংস্থান করা হয়েছে যেখানে অন্যান্য গ্রহণকারীদের জন্য 194N ধারায় টিডিএস ধার্য করার সীমা ১ কোটি টাকা।

কৃষকদের প্রদেয় বার্ষিক ৭% সুদে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদী শস্য ঋণের ক্ষেত্রে সরকার সুদ মকুব করে থাকে এবং দ্রুত ঋণ শোধের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৩ শতাংশ সুদ মকুব করা হয় এবং তাতে কার্যকরী সুদের হার কমে দাঁড়ায় ৪ শতাংশে। ২০১৮-১৯ থেকে ভারত সরকার পশুপালন এবং মৎস্য চাষের জন্য কিষাণ ক্রেডিট কার্ড (কেসিসি) কর্মসূচি চালু করেছে। স্বল্পমেয়াদী শস্য ঋণের মতোই স্বল্প মেয়াদী কার্যকরী মূলধনী ঋণ (ব্যক্তি পিছু ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত)। এমন কোনো প্রস্তাব বিবেচনাধীন নেই।

কেন্দ্রীয় মৎস্যচাষ, পশুপালন এবং ডেয়ারি মন্ত্রী পুরুষোত্তম রুপালা সম্প্রতি লোকসভায় লিখিত জবাবে একথা জানিয়েছেন।