ওয়েব ডেস্ক; ১৬ জানুয়ারি: ইন্ডিয়া এনার্জি উইক (IEW) ২০২৬ আগামী ২৭ থেকে ৩০ জানুয়ারি, পর্যন্ত গোয়ায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যা এর চতুর্থ সংস্করণ। আগের তিনটি সংস্করণের সাফল্য ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে এবছর এই সম্মেলন আরও বৃহত্তর পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবেন ৭৫,০০০–এর বেশি জ্বালানি ক্ষেত্রের পেশাদার, ৭০০–র বেশি সংস্থা, ১২০-টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং ৬,৫০০–র বেশি প্রতিনিধি। বাস্তবভিত্তিক জ্বালানি রূপান্তরের পথ নিয়ে আলোচনার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চ।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি, এখনও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা থাকলেও, IEW ২০২৬–এ বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ভারতের জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে রূপান্তরের যাত্রাকে। একটি ক্রম-বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে ভারত কীভাবে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে, তা এখানে তুলে ধরা হবে।

IEW ২০২৬–এ ভারতের এই অভিজ্ঞতাকে জৈব জ্বালানি, সবুজ হাইড্রোজেন, বিমান জ্বালানি এবং অন্যান্য স্বল্প-কার্বন নিঃসরণকারী প্রযুক্তির অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করা হবে। এই কৌশলগত সম্মেলন এবং বিভিন্ন প্যাভিলিয়নে আয়োজিত প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রতিনিধিরা জানতে পারবেন কীভাবে এই রূপান্তর পথগুলি বড় পরিসরে প্রয়োগযোগ্য এবং বাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম।

ইন্ডিয়া এনার্জি উইক ২০২৬ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে একটি বাস্তবভিত্তিক মডেল হিসাবে উপস্থাপন করবে। সঠিক পর্যায়ক্রমে নীতি প্রণয়ন এবং দেশীয় সম্পদের ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারত তার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে।

উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির নীতি-নির্ধারক ও শিল্পনেতাদের জন্য IEW ২০২৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ, যেখানে তারা বাস্তব পরিকাঠামো, অর্থনীতি ও চাহিদার উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা রূপান্তর কৌশল সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন।

কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান পেট্রোলিয়াম ইন্ডাস্ট্রি (FIPI) ও dmg events–এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইন্ডিয়া এনার্জি উইক ২০২৬ জ্বালানি নিরাপত্তা, সাশ্রয়যোগ্যতা ও স্থায়িত্বের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও মজবুত করবে।