ওয়েব ডেস্ক; ১৯ মার্চ: উদ্ভাবন এবং আর্থিক অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ২০২৪-এর পেটেন্ট সংক্রান্ত নিয়মাবলী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই নিয়মাবলীর মাধ্যমে পেটেন্টের বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরও সহজ করা হয়েছে। এর ফলে, উদ্ভাবন এবং সৃষ্টিশীলতার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’-এর সঙ্কল্প পূরণ করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ আর্থিক বিকাশের পথ ত্বরান্বিত করবে।
এই নিয়মাবলীর কিছু উল্লেখযোগ্য দিক হল :
উদ্ভাবকদের পেটেন্ট প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন ‘সার্টিফিকেট অফ ইনভেন্টরশিপ’ বা উদ্ভাবনশীলতার শংসাপত্রের ব্যবস্থা।
৮ নম্বর ফর্মে বিদেশি আবেদনপত্র পেশের সময়সীমা ৩ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করা হয়েছে।
প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কথা বিবেচনা করে আবেদনপত্র পরীক্ষার সময়সীমা ৪৮ মাস থেকে কমিয়ে ৩১ মাস করা হয়েছে।
ন্যূনতম চার বছরের জন্য পুনর্নবীকরণের ফি ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে।
সরকার দেশে আইপি ইকো-সিস্টেমের সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক কাজের কলেবর বাড়াতে বদ্ধপরিকর।
পেটেন্ট:
ভারতে প্রতি ৬ মিনিটে একটি করে প্রযুক্তি আইপি রক্ষাকবচ চাইছে। ২০২৩ সালে ৯০,৩০০টি পেটেন্ট আবেদন জমা পড়েছিল, যা সর্বকালীন রেকর্ড। গত এক বছরে (১৫ মার্চ, ২০২৩ থেকে ১৪ মার্চ, ২০২৪ পর্যন্ত) পেটেন্ট কার্যালয় ১ লক্ষেরও বেশি পেটেন্ট অনুমোদন করেছে।
ভৌগোলিক সূচক:
গত এক বছরে জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক সূচকের নথিভুক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখনও পর্যন্ত ভারতে ৫৭৩টি জিআই নথিভুক্ত হয়েছে। ২০২৩-২৪-এ ৯৮টি নতুন জিআই নথিভুক্ত হয়েছিল এবং ২০২৪-এর ৩১ মার্চের মধ্যে আরও ৬২টি নথিভুক্ত করা হবে।
কপিরাইট:
২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে মোট ৩৬,৩৭৮টি কপিরাইট বা স্বত্ব নথিভুক্ত হয়েছে, যা একটি রেকর্ড। এক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়াতে আরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডিজাইন:
২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে সর্বোচ্চ সংখ্যক, অর্থাৎ মোট ২৭,৮১৯টি ডিজাইন বা নকশা নথিভুক্ত হয়েছে। ১.২৫ লক্ষের বেশি পড়ুয়া ‘টয়কাথন’-এ অংশ নিয়েছিলেন।
ট্রেডমার্ক:
ট্রেডমার্কের আবেদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পরীক্ষার রিপোর্ট ইস্যু করতে বদ্ধপরিকর ট্রেড মার্ক রেজিস্ট্রি।
