ওয়েব ডেস্ক ; ৫ ফেব্রুয়ারি : ভারত সরকার আয়ুষ্মান ভারত – প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (এবি-পিএমজেএওয়াই)-র অধীন তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলির জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা তৈরি করেছে। এতে হাসপাতালগুলির তালিকাভুক্তির সময় তাদের পরিকাঠামোগত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই তালিকাভুক্তির নির্দেশিকায় সরকারি হাসপাতালগুলিতে ভর্তি রোগীদের পরিষেবাগত দিকটিকেও অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।
জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ (এনএইচএ) হাসপাতাল নিয়োগ মডিউলের দ্বিতীয় পর্বে উন্নত পরিসেবামূলক ব্যবস্থার দিক-নির্দেশ করেছে। এতে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে বেসরকারি হাসপাতালগুলির ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত সুযোগ পরীক্ষা করে দেখা; হাসপাতালের মূল ছবি ও দৈর্ঘ্য-প্রস্থের বহর সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। পর্যায়গত পর্যালোচনায় হাসপাতালগত তথ্য যাতে সঠিক থাকে, তারও উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতালগুলির তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে এবি-পিএমজেএওয়াই – এর অধীন বৈধ সুবিধাপ্রাপকদের পরিষেবা প্রদানে হাসপাতালগুলি দায়বদ্ধ থাকবে। যদি এই প্রকল্পের অধীন হাসপাতাল পরিষেবা প্রদান না করে, তা হলে সুবিধাপ্রাপকরা তাঁদের অভিযোগ এবি-পিএমজেএওয়াই – এ জানাতে পারেন। জেলা, রাজ্য ও জাতীয় স্তরে তাঁদের অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি এবং নোডাল অফিসার নিযুক্ত থাকবেন।
সুবিধাপ্রাপকরা তাঁদের অভিযোগ ওয়েব-ভিত্তিক পোর্টাল কেন্দ্রীয় অভিযোগ নিয়ামক পরিচালন ব্যবস্থা (সিজিআরএমএস), কেন্দ্র ও রাজ্যের কল সেন্টারসমূহ, ই-মেল ও চিঠি মারফত জানাতে পারবেন। অভিযোগ অনুযায়ী তা নিষ্পত্তি করা হবে। সেক্ষেত্রে এই প্রকল্পের অধীন সুবিধাপ্রাপকরা যে চিকিৎসা পরিষেবা পাচ্ছেন, তা নিশ্চিত করা হবে।
চিকিৎসা খাতে কোনোরকম ত্রুটি দেখা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সংস্থান থাকছে। সেক্ষেত্রে হাসপাতালগুলিকে তালিকার বাইরে করে দেওয়া হতে পারে। সেইসঙ্গে, তাদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মেটানো, সতর্কতামূলক চিঠি, এফআইআর দায়ের হতে পারে, এমনকি হাসপাতালটিকে সাসপেন্ড করা যেতে পারে। রাজ্য স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব।
