ওয়েব ডেস্ক; ২ জানুয়ারি : শীতের মরশুমে কুয়াশার সঙ্গে যুঝতে অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক গত দুমাসেরও বেশি সময় ধরে বিমান সংস্থা, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ), ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি(বিসিএএস), ভারতের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, ভারতের আবহাওয়া দফতর এবং কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছে। যাতে বিমান চলাচলে দেরি না হয় এবং যাত্রীরা স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারেন তার জন্য অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
দৃশ্যমানতার কারণে কোনো বিমানের দেরি বা উড়ান বাতিল হলে তা যথাযথ সময়ে যাত্রীদের জানানোর জন্যে বিমান সংস্থাগুলোকে বলা হয়েছে। উড়ান ছাড়ার নির্দিষ্ট সময় থেকে ৩ ঘন্টার বেশি দেরি হলে বিমান সংস্থাগুলিকে আগেকার নির্দেশমতো সেই উড়ান বাতিল করতে বলা হয়েছে। যাত্রীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যে অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এজেন্টদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতিকূল আবহাওয়ার ক্ষেত্রে বিমান সংস্থাগুলির পরিচালনগত ব্যবস্থাপনাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আবহাওয়া দফতর ভারতের বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক্ষেত্রে সম্বন্বয় বজায় রাখবে। দৃশ্যমানতা হ্রাস পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিমান সংস্থাগুলিকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মীকে কাজে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানানোর জন্য দিল্লি বিমানবন্দরে একটি এলইডি স্ক্রীন লাগানো হয়েছে যেখান থেকে দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে। যাত্রী ভিড় সামলানোর লক্ষ্যে বিমান সংস্থাগুলিকে উপযুক্ত সংখ্যক কাউন্টারের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে যাত্রী সাধারণ কোনওরকম সমস্যার সম্মুখীন না হন। এই উদ্যোগগুলির মাধ্যমে বিমান চলাচল সংক্রান্ত প্রতিটি সংস্থার মধ্যে সম্বন্বয় গড়ে তোলা সম্ভব হবে। মন্ত্রকের মূল উদ্দেশ্য হল, যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
