ওয়েব ডেস্ক; ৩ এপ্রিল : ডাকঘরগুলি থেকে যে আয় হয়, তা নিয়মিত বিভিন্ন স্তরে খতিয়ে দেখা হয়। গ্রামীণ ডাক পরিষেবার উন্নয়নে দপ্তর নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নিয়েছে :

বিভিন্ন স্তরে ডাক পরিষেবার উন্নয়ন ও এর ওপর নজরদারি বাড়াতে মেল নেটওয়ার্ক অপটিমাইজেশন প্রকল্প (এমএনওপি) এবং পার্সেল নেটওয়ার্ক অপটিমাইজেশন প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে পরিষেবা প্রদানের তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া সম্ভব।

সমস্ত শাখা ডাকঘরে মোবাইল ডিভাইস, থার্মাল প্রিন্টার, বায়োমেট্রিক ডিভাইসের মতো ডিজিটাল সরঞ্জাম রয়েছে। এগুলির মাধ্যমে কর্মীরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডাক, অর্থ ও বিমা সংক্রান্ত বিভিন্ন লেনদেন করতে পারেন।

ডাকঘর সঞ্চয় প্রকল্পের অ্যাকাউন্টধারীদের সুবিধায় ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, ই-কেওয়াইসি, ই-পাসবুক প্রভৃতির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

যন্ত্রের মাধ্যমে পার্সেল বিতরণ ত্বরাণ্বিত করতে নোডাল ডেলিভারি সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।

রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে যোগাযোগ ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ডঃ পেম্মাসানি চন্দ্রশেখর এই তথ্য জানিয়েছেন।