ওয়েব ডেস্ক; ১৩ ডিসেম্বর : নতুন দিল্লির কৃষি ভবনে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগের সচিব ডঃ দেবেশ চতুর্বেদীর সভাপতিত্বে জাতীয় মাখনা পর্ষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। পর্ষদ রাজ্য এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির জমা দেওয়া বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা করে এবং সামগ্রিক ক্ষেত্রগত উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ করে।
পর্ষদের এই সভায় চলতি এবং আগামী বছরের জন্য বিহারের এস এ ইউ সবৌর এবং চি এ ইউ সমস্তিপুরের সরবরাহ করা রাজ্যগুলির বীজের চাহিদা একত্রিত করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বিহার এবং এন আর সি মাখনা দ্বারভাঙ্গা বিভিন্ন রাজ্যের প্রশিক্ষকদের ঐতিহ্যবাহী এবং অপ্রচলিত অঞ্চলে মাখানা চাষকে সহজতর করার জন্য মাখানা মূল্য শৃঙ্খলের সর্বশেষ প্রযুক্তিগত দিকগুলি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেবে। পর্ষদ চাহিদা-ভিত্তিক গবেষণা, চাষ এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রযুক্তির উন্নয়ন, গ্রেডিং, শুকানো, পপিং এবং প্যাকেজিংয়ের জন্য পরিকাঠামো, আধুনিক চাষ পদ্ধতির প্রচার, মূল্য সংযোজন, ব্র্যান্ডিং, বাজার সংযোগ এবং রপ্তানি প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দিয়েছে।
এই সভায় ভারত জুড়ে মাখানা খাতের সমন্বিত, বৈজ্ঞানিক এবং বাজার-ভিত্তিক উন্নয়নের জন্য পথদিশা তৈরি করে।
প্রেক্ষাপট :
কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৫-২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘোষণা বাস্তবায়িত করে জাতীয় মাখানা পর্ষদ প্রতিষ্ঠা করেছে। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী বিহারে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পর্ষদ চালু করেন। ভারতের মাখানা ক্ষেত্রকে শক্তিশালী ও আধুনিকীকরণের করে তোলার লক্ষ্যে এ এক বড় পদক্ষেপ।
এই উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য, সরকার ২০২৫-২৬ থেকে ২০৩০-৩১ সময়কালের জন্য ৪৭৬.০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মাখানা উন্নয়নের জন্য একটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এই প্রকল্পটি গবেষণা ও উদ্ভাবন, গুণমানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধি, উন্নত ফসল কাটা, ফসল কাটার পরবর্তী পদ্ধতি, মূল্য সংযোজন, ব্র্যান্ডিং এবং বিপণন, রপ্তানি প্রচার ও মান নিয়ন্ত্রণের উপর বিশেষ নজর দেয়।
