ওয়েব ডেস্ক; ২৭ ডিসেম্বর : ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর সিমেন্ট অ্যান্ড বিল্ডিং মেটেরিয়ালস (NCB)-এর ৬৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে গ্লোবাল সিমেন্ট অ্যান্ড কনক্রিট অ্যাসোসিয়েশন (GCCA) ইন্ডিয়া–NCB কার্বন আপটেক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রচার বিভাগ (DPIIT)-এর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শ্রীমতি উর্মিলা, আইইএস, এবং সেন্ট্রাল পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট (CPWD)-এর বিশেষ মহাপরিচালক মহম্মদ কামাল আহমেদ জিপসাম বোর্ড টেস্টিং ল্যাবরেটরি এবং মাইক্রো-ক্যারেক্টারাইজেশন ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানটি NCB-এর মহাপরিচালক ডঃ এল পি সিং-এর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
জিপসাম বোর্ড শিল্পের গুণমান নিশ্চিতকরণ এবং মানকীকরণের চাহিদা পূরণের জন্য জিপসাম বোর্ড টেস্টিং ল্যাবরেটরিটি স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয় যে, ২০২৪ সালে DPIIT দ্বারা জিপসাম-ভিত্তিক নির্মাণ সামগ্রী (গুণমান নিয়ন্ত্রণ) আদেশ, ২০২৪ বিজ্ঞাপিত হয়েছে। মাইক্রো-ক্যারেক্টারাইজেশন ল্যাবরেটরিটি সিমেন্ট এবং নির্মাণ সামগ্রীর বিস্তারিত গবেষণার জন্য উন্নত বিশ্লেষণাত্মক সুবিধা দিয়ে সজ্জিত।
উপস্থিত সকলের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে শ্রীমতি উর্মিলা গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন, গুণমান নিশ্চিতকরণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে NCB-এর ধারাবাহিক অবদানের প্রশংসা করেন, যা সিমেন্ট খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সহায়ক হয়েছে। তাঁর ভাষণে CPWD-এর বিশেষ মহাপরিচালক শ্রী মহম্মদ কামাল আহমেদ, গবেষণা ও উন্নয়ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারতে টেকসই নির্মাণে সহায়তা করার জন্য NCB-কে অভিনন্দন জানান।
“কংক্রিট দ্বারা কার্বন শোষণ” শীর্ষক GCCA ইন্ডিয়া–NCB রিপোর্টে ভারতীয় প্রেক্ষাপটে কংক্রিটে কার্বনেশনের মাধ্যমে CO₂ শোষণের মূল্যায়নের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনটি NCB এবং গ্লোবাল সিমেন্ট অ্যান্ড কনক্রিট অ্যাসোসিয়েশন (GCCA), ইন্ডিয়ার একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং এটি IVL সুইডিশ এনভায়রনমেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের টিয়ার-১ পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে তৈরি। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিমেন্ট শিল্প মোট মানবসৃষ্ট নির্গমনের প্রায় ৭ শতাংশের জন্য দায়ী এবং চুনাপাথরের ক্যালসিনেশন থেকে উদ্ভূত প্রক্রিয়া-সম্পর্কিত CO₂ নির্গমনের কারণে এটিকে একটি কঠিন-হ্রাসযোগ্য খাত হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
প্রতিবেদনটিতে ডেটার নির্ভরযোগ্যতা উন্নত করা, অনুমানের পদ্ধতি পরিমার্জন করা এবং জাতীয় স্থায়িত্ব ও জলবায়ু প্রতিবেদন কাঠামোতে কার্বন শোষণকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সহায়তার লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এটি ভারত সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের (MoEF&CC) কাছে জমা দেওয়া হবে, যাতে এটিকে UNFCCC-এর কাছে পেশ করা জাতীয় যোগাযোগ প্রতিবেদনে (NATCOM) একটি কার্বন সিঙ্ক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।
