ওয়েব ডেস্ক; ২৯ আগস্ট: তপশিলি জাতি গোষ্ঠীভুক্ত নাগরিকদের সুরক্ষা এবং তাঁদের শিক্ষা, আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়ন ও জীবিকা রক্ষার জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প সরকার বাস্তবায়ন করছে। ২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬ সময়কালে পোস্ট ম্যাট্রিক স্কলারশিপ, ন্যাশনাল ফেলোশিপ, ন্যাশনাল ওভারসিজ স্কলারশিপ, বিনামূল্যে কোচিং, প্রাক ম্যাট্রিক বৃত্তি, প্রধানমন্ত্রী অনুসুচিত জাতি অভ্যুদয় যোজনা, শ্রেষ্ঠ, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড এবং দক্ষতা বিকাশ কর্মসূচিগুলিতে এই জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সাহায্য নেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট, এসএনএ-স্পর্শ ব্যবস্থাপনা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের নীতি নির্দেশিকা মেনে চলা হয়।
মূলত প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর ব্যবস্থাপনা বৃত্তির অর্থ প্রদান করা হয়। এর ফলে যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্বচ্ছতার সঙ্গে অর্থ পাঠানো হয়। মন্ত্রক জাতীয় পর্যায়ে চিন্তন শিবিরের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তদারকির কাজ করে। এক্ষেত্রে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলি সম্পর্কে তপশিলি জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে প্রচারের জন্য জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এছাড়াও সামাজিক মাধ্যমের সহায়তাও নেওয়া হয়ে থাকে।
যথাযথ নজরদারি ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে তহবিলের থেকে অর্থ ব্যয়, প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর, নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে তপশিলি গোষ্ঠীভুক্ত নাগরিকদের কাছে পৌঁছায় সরকার তা নিশ্চিত করে। দেশজুড়ে তপশিলি জাতি গোষ্ঠীভুক্ত নাগরিকরা যেন শিক্ষা, জীবিকা ক্ষেত্রের নিশ্চয়তা এবং আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে পারেন সেটি নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পগুলির উদ্দেশ্য।
