ওয়েব ডেস্ক; ২৬ সেপ্টেম্বর: মাধ্যমিক উত্তীর্ণ তপশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৃত্তি প্রকল্পের সুবিধা পাবে, সেইসব ছাত্রছাত্রীরা, যাঁরা এদেশে পড়াশুনা করবেন এবং তাঁদের বাবা-মা/অভিভাবকদের বার্ষিক আয় হতে হবে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। তপশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষায় আরও বেশি করে অংশগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ। ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে তপশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষায় অংশগ্রহণের হার যাতে ২৩ শতাংশ থেকে বেড়ে জাতীয় হারের সমান হয় – তা নিশ্চিত করতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।
তপশিলি জাতি ও অন্যান্যদের জন্য প্রাক্-মাধ্যমিক বৃত্তি প্রকল্পটি একটি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প। তপশিলি জাতিভুক্ত এবং যাঁরা ঝুঁকির কাজে যুক্ত, সেইসব পরিবারের ছেলেমেয়েদের সাক্ষর করে তুলে যথাযথ শিক্ষাদান নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। এর মধ্যে যাঁরা হাতে করে জঞ্জাল পরিষ্কার করেন তাঁদের এবং বিভিন্ন চর্ম শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের সন্তানরা রয়েছেন।

প্রাক্-মাধ্যমিক বৃত্তি প্রকল্পটিতে বেশ কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির ছেলেমেয়েরা শিক্ষালাভে উৎসাহী হয়। এই প্রকল্পে কেন্দ্র ৬০ শতাংশ তহবিলের যোগান দেবে। তবে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য, উত্তরাখন্ড ও হিমাচল প্রদেশে ৯০ শতাংশ তহবিল যোগান কেন্দ্রীয় সরকার দিয়ে থাকে। যেসব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নেই, সেখানে পুরো অর্থই কেন্দ্রীয় সরকার দিয়ে থাকে। পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে করার জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নথি অনলাইনে যাচাই করা হয়। আধার ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সাহায্যের অংশটি প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর পদ্ধতিতে সুবিধাভোগীদের কাছে পাঠানো হয়। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারগুলি তাদের আর্থিক সাহায্য সংশ্লিষ্ট ছাত্রছাত্রীদের কাছে পাঠিয়ে কিনা – সেটি নিশ্চিত করা হয়।

২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে প্রাক্-মাধ্যমিক বৃত্তি প্রকল্পে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার সুবিধাভোগীকে মোট ১৪১ কোটি ১ লক্ষ টাকা কেন্দ্রীয় সরকার পাঠিয়েছে। মাধ্যমিক উত্তীর্ণ তপশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৃত্তি প্রকল্পের কেন্দ্রীয় অনুদান বাবদ ১ হাজার ৫১৬ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ১২ হাজার ৭০ হাজার জন সুবিধাভোগীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।