ওয়েব ডেস্ক; ২৮ নভেম্বর : সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত বাংলা চলচ্চিত্র ‘পক্ষীরাজের ডিম’ ৫৬তম ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ইফি’র দর্শকদের সামনে এক কল্পবিশ্বের মোহ তৈরি করেছে। উৎসবের সপ্তম দিনে একেবারে সকালে ছবিটি প্রদর্শিত হয়। এরপর, পরিচালক ছবির মূল অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য’কে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। ছবিটি নির্মাণে অন্তর্মুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।
ইফি’তে সৌকর্য ঘোষালের এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ছবি দেখানো হ’ল। ছবিটির সংক্ষিপ্তসার সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন তিনি। একটি কল্পগ্রাম আকাশগঞ্জ। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র ঘোতন সেই গ্রামের ছাত্র। সে এক রহস্যময় পাথরের সন্ধান পায়। পাথরটির আবার মানব অনুভূতি রয়েছে। বিষয়টি এক ব্রিটিশ পুরাতাত্ত্বিকের নজর কাড়ে। ছবিটি শেষ হয় বিচিত্র শিক্ষক বটব্যাল এবং বন্ধু পপিন’কে নিয়ে। তিনি সেই পাথরের অদ্ভুত ক্ষমতাকে সযত্নে রক্ষা করেন।
অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, ছবিটিতে অভিনয় তিনি উপভোগ করেছেন। এই জাতীয় ছবিতে এটা তাঁর প্রথম অভিনয়। সত্যজিৎ রায় এবং বিশ্বের অন্য বরেণ্য চলচ্চিত্রকারদের ছবি দেখে সিনেমাকে ঘিরে মানসিকতা গড়ে উঠেছে বলে জানান তিনি।
সৌকর্য ঘোষাল জানিয়েছেন, ছবিটিতে বিভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরিতে কৃত্রিম মেধা এবং ভিএফএক্স – এর সাহায্য নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে, মায়া, ম্যাক্সও ভিএফএক্স – এর সঙ্গে কাজে লাগানো হয়েছে। ভারতে ভিএফএক্স – এর কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগানো খুব একটা কঠিন কিছু নয় বলে তিনি জানান। প্রযুক্তিগত যুক্তির বিষয়টি যদি পরিচালকের কাছে পরিষ্কার থাকে, তা হলে অভিনেতারাও স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেন।