ওয়েব ডেস্ক; ২৯ মার্চ :
মূল বিষয়গুলি :
মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের সুবাদে বৈদ্যুতিক যান উৎপাদনে গতি এসেছে; ভারতের জিডিপি-তে অটোমোবাইল ক্ষেত্রের অবদান প্রায় ৬ শতাংশ; যানবাহন উৎপাদন ১৯৯১-৯২-এর ২০ লক্ষ থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪-এ হয়েছে ২ কোটি ৮০ লক্ষ; ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে অটোমোবাইল ক্ষেত্রে রপ্তানির পরিমাণ ৪৫ লক্ষ একক; বিগত চার বছরে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলার; ৪৪ লক্ষ বৈদ্যুতিক যান নিবন্ধীকৃত – বাজারের ৬.৬ শতাংশ; বৈদ্যুতিক যান এবং এর ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রে পিএলআই এবং পিএম ই-ড্রাইভ প্রকল্প কার্যকর; বৈদ্যুতিক যানে জিএসটি-র হার ১২ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৫ শতাংশ; জিডিপি-তে গাড়ির যন্ত্রাংশ ক্ষেত্রের অবদান ২.৩ শতাংশ – প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান ১৫ লক্ষ মানুষের; ২০১৬-২০২৪ অর্থবর্ষের মধ্যে এই ক্ষেত্রের বার্ষিক যৌগিক বৃদ্ধির হার ৮.৬৩ শতাংশ; ২০২৪ অর্থবর্ষে এই ক্ষেত্রের রপ্তানির পরিমাণ ২১.২ বিলিয়ন ডলার – ২০২৬-এ তা ৩০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে; বৈদ্যুতিক যান এবং স্বয়ং-চালিত প্রযুক্তির প্রসারে উদ্যোগী সরকার।
২০১৪ সালে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির সূচনার পর ভারতের অটোমোবাইল ক্ষেত্র দ্রুত বিবর্তিত হয়েছে। গতি এসেছে বৈদ্যুতিক যান উৎপাদনে। বিগত দশকে নীতিগত সংস্কার, আর্থিক প্রণোদনা এবং পরিকাঠামোগত বিকাশ ভারতকে বিশ্বের অন্যতম অটোমোবাইল হাব করে তুলেছে।
ভারতের অটোমোবাইল শিল্প দ্রুত বিকাশশীল। ১৯৯১-এ উদার অর্থনীতির জমানা শুরু হওয়ার পর এবং তারপরে ১০০ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের অনুমোদন মেলায় এই বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হয়েছে। বিশ্বের নামজাদা প্রায় সব গাড়ি কোম্পানির উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে ভারতে।
ভারতের অটোমোবাইল ক্ষেত্রে লেনদেনের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ২০ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫-এর বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এই ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মরত ৩ কোটি মানুষ তিন-চাকার গাড়ি উৎপাদনে ভারত বিশ্বে প্রথম। দু’চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে ভারত রয়েছে প্রথম দুটি দেশের মধ্যে। যাত্রীবাহী গাড়ি উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারতের স্থান প্রথম চারের মধ্যে এবং বাণিজ্যিক গাড়ির ক্ষেত্রে প্রথম পাঁচের মধ্যে।
ভারতে উৎপাদিত গাড়ির যন্ত্রাংশের ২৫ শতাংশেরও বেশি রপ্তানি হয়। ২০২৮ অর্থবর্ষ নাগাদ গাড়িশিল্প ক্ষেত্রে ৬০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে বলে অনুমান। এক্ষেত্রে প্রধান বাজার হল ইউরোপ। এছাড়া, উত্তর আমেরিকা এবং এশিয়ার অন্য দেশগুলিতেও ভারতে তৈরি গাড়ি এবং গাড়ির যন্ত্রাংশ রপ্তানি হয় অনেকটাই।
বিগত চার বছরে এই ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলার।
পরিবেশ-বান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ দেশে বৈদ্যুতিক যান ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ২০২৪-এর আগস্ট পর্যন্ত নিবন্ধিত বৈদ্যুতিক যানের ৪৪ লক্ষ। বৈদ্যুতিক যান উৎপাদনে গতি আনতে পিএলআই প্রকল্প কাজ করে চলেছে।
