ওয়েব ডেস্ক; ৫ আগস্ট: রাজ্যসভায় সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের একটি প্রশ্নের লিখিত উত্তরে কেন্দ্রীয় রেল, তথ্য ও সম্প্রচার এবং বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, পার্ক সার্কাস স্টেশনে বেআইনি দখলদারিত্বের সমস্যা—যেমন হকারদের জন্য ফুটপাত বন্ধ হয়ে যাওয়া ও যাত্রীদের চলাচলে অসুবিধা—সম্পর্কে ভারত সরকার অবগত। তিনি বলেন, ভারতীয় রেল সময়ে সময়ে পার্ক সার্কাস স্টেশনে দখলদার উচ্ছেদের জন্য অভিযান চালিয়েছে, কিন্তু রাজ্য সরকারের সহযোগিতা না পাওয়ায় এই উদ্যোগগুলি সফল হয়নি।

বৈষ্ণব আরও জানান, যাত্রী নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় রেল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ)-এর কর্মীরা দিনে ২৪ ঘণ্টা নিয়মিত মোতায়েন থাকেন এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হয়। কোন স্টেশনে কত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হবে, তা নির্ধারণ করা হয় স্টেশনের ঝুঁকির মাত্রা, সময়, স্থান, হুমকির আশঙ্কা এবং অতীতের অপরাধের তথ্য বিশ্লেষণ করে। এই মোতায়েন সময় সময় পর্যালোচনা করা হয় এবং রেল পুলিশ (জিআরপি)-এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে অপরাধ প্রতিরোধে ও অপরাধ ঘটলে ব্যবস্থা নিতে নিরাপত্তা কর্মীদের কাজে লাগানো হয়।

স্টেশনের পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, স্টেশনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষার কাজ চলমান একটি প্রক্রিয়া। রেল দফতর এই বিষয়ে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে স্বচ্ছ ভারত অভিযান, জায়গায় জায়গায় আবর্জনা ফেলার উপযুক্ত বিন বসানো, জল নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতিকরণ এবং পরিষ্কারের পরিমাণ ও ঘনত্ব বাড়ানো। তিনি এও বলেন, পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করার লক্ষ্যে রেল একাধিক দিক থেকে পদক্ষেপ নিচ্ছে—যেমন প্রযুক্তির ব্যবহার, যাত্রীদের সচেতন করা, যন্ত্রচালিত পরিষ্কারের ব্যবস্থা, আবর্জনা সংগ্রহ, কীট আক্রমন দমন এবং সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সাহায্য নেওয়া। এছাড়াও, শৌচাগার পরিষ্কার প্রয়োজনে ‘পে অ্যান্ড ইউজ’ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।