ওয়েব ডেস্ক; ৫ অক্টোবর: “বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে অংশীদারিত্ব” এই বিষয়কে তুলে ধরে জাতীয় প্রাণী উদ্যান ৬৯তম বন্যপ্রাণ সপ্তাহ উদযাপন শুরু করেছে। রাষ্ট্রসংঘের বিশ্ব বণ্যপ্রাণ দিবস ২০২৩-এর বিষয় নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে যাঁরা কৃতিত্বের নজির রেখেছেন, তাঁদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের কার্যকলাপকে ছড়িয়ে দিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবছর বন্যপ্রাণ সপ্তাহ মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তীর সময় অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যদিয়ে সমস্ত জীবের প্রতি ভালোবাসা এবং অহিংসার আদর্শকে অনুসরণ করা হয়। সপ্তাহব্যাপী জাতীয় প্রাণী উদ্যানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সংরক্ষণের লক্ষ্যে যৌথ অংশগ্রহণের ওপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত বন্যপ্রাণ সপ্তাহ ২০২৩ উদযাপিত হবে।

জাতীয় প্রাণী উদ্যানে যেসব পশু মারা গেছে তাদের উদ্দেশ্যে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে আজকের অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন বন্যপ্রাণ পরিবেশ বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অধীন বন্যপ্রাণ শাখার অতিরিক্ত মহানির্দেশক শ্রী বিভাস রঞ্জন, কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানার সদস্য সচিব শ্রী সঞ্জয় শুক্লা এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব বৈচিত্র বিশেষজ্ঞ ডঃ ফৈয়াজ এ খুদসার। জৈব বৈচিত্র বিষয়ে আলোচনা, প্রাণী সংরক্ষণ সচেতনতামূলক নাটক, পরিবেশের জন্য জীবশৈলী বিষয়ে ভিডিও প্রদর্শনী এবং অনুষ্ঠানে শপথগ্রহণ করা হয়।

ছাত্র-ছাত্রী এবং চিড়িয়াখানার কর্মচারীদের মধ্যে এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে প্রবল উৎসাহ লক্ষ্যকরা গেছে। জাতীয় প্রাণী উদ্যানে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের মূলগত উদ্দেশ্য ছিল বন্যপ্রাণ ও জৈব বৈচিত্র নিয়ে সচেতনতা প্রসার এবং পরিবেশের কাছাকাছি থেকে পরিবেশের জন্য জীবনশৈলী ধারণার প্রসার ঘটানো। অংশগ্রহণকারী ছাত্র-চাত্রীদের শংসাপত্র এবং স্মারকগ্রন্থ দেওয়া হয়।