ওয়েব ডেস্ক; ২১ এপ্রিল: ২০ এপ্রিল, বর্ডার ফাঁড়ি হাসানাবাদ, দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীনে ৮৫ তম বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের জওয়ানরা একটি নাবালিকা মেয়েকে, ইছামতি নদীতে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচিয়েছিল।

বর্ডার ফাঁড়ির হাসনাবাদের টহল দল একটি মেয়েকে আন্তর্জাতিক সীমান্তের দিকে ভাসতে এবং নদী থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে লড়াই করতে দেখেছিল। টহল দল অবিলম্বে একটি উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত করে এবং স্পিড বোটে করে ঘটনাস্থলে যায়। জওয়ানরা তৎক্ষণাৎ মেয়েটিকে নদী থেকে তাদের নৌকায় তুলে সীমান্ত ফাঁড়ি হাসনাবাদে নিয়ে আসে। উদ্ধার হওয়া কিশোরীর নাম খুশবু কুমারী (১৭) বিহারের গোলপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।

এরপর ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরাও একই সঙ্গে সীমান্ত চৌকিতে পৌঁছান। কোম্পানি কমান্ডার মেয়েটিকে তার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মেয়েটি জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে তার মামার বাড়িতে এসেছিল। নদীর ধারে দাঁড়িয়ে মোবাইলে কথা বলার সময় হঠাৎ পা পিছলে পড়ে নদীতে। তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর বিএসএফের উদ্ধারকারী দল এসে তাকে নিরাপদে নদী থেকে বের করে আনে।

কোম্পানি কমান্ডার মেয়েটিকে তার পরিবারের সদস্যদের সাথে একটি বিএসএফ অ্যাম্বুলেন্সে করে নিকটস্থ গ্রামীণ হাসপাতালে টাকিতে নিয়ে যান। মেয়েটির অবস্থা এখন ভালো বলে জানা গেছে।

গ্রামবাসীরা বিএসএফের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো

গ্রামবাসীরা মেয়েটিকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচানোর খবর পেয়ে বিএসএফের প্রশংসা করে বলেন, বিএসএফ সব সময়ই কোনো বিলম্ব না করে এ ধরনের উদ্ধার কাজ করে থাকে। মেয়েটির স্বজনরা জানান, বিএসএফ সঠিক সময়ে পৌঁছাতে না পারলে তাদের আর কোনো উপায় ছিল না এবং মেয়েটির প্রাণও যেতে পারত।

৮৫ তম বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের কমান্ডিং অফিসার জওয়ানদের এই প্রশংসনীয় কাজে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সীমান্তে অপরাধ দমনের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিটি সুখে-দুঃখে সীমান্তবাসীর পাশে থাকে। তিনি আরও বলেন, করোনার সময় হোক বা স্বাভাবিক পরিস্থিতি হোক সীমান্তের বাসিন্দাদের সাহায্য করতে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত।