ওয়েব ডেস্ক; ৩০ আগস্ট : ভারত-চিলি কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) বা ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি বিষয়ক আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে, ২৬ আগস্ট চিলির সান্তিয়াগোতে ভারতের বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল চিলি প্রজাতন্ত্রের আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-মন্ত্রী মিস পলা এস্তেভেজ ওয়েইনস্টেইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনগণের জন্য অর্থবহ সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে, ভারত-চিলি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করার ক্ষেত্রে উন্মুক্ততা, ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা এবং ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার বিষয়ে ভারত তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর সদস্য হিসেবে ভারত ও চিলির অভিন্ন পরিচয় এবং তাদের সাধারণ কৌশলগত লক্ষ্য দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীরতর করা ও যৌথ সমৃদ্ধি অর্জনের পথে একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে।
উভয় পক্ষই ভারত ও চিলির মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী ও ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। একইসঙ্গে তাঁরা নিশ্চিত করতে চেয়েছে যে, সিইপিএ-এর মাধ্যমে যেন উভয় দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য অভিন্ন লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষাগুলো বাস্তব এবং বাণিজ্যিকভাবে অর্থবহ সুযোগে রূপান্তরিত হয়।
বাণিজ্য সচিব স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ শিল্প, জ্বালানি, খনিজ সম্পদ, কৃষি, যন্ত্রপাতি এবং প্রকৌশলসহ বিভিন্ন খাতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। সিইপিএ বিষয়ক আলোচনার সফল সমাপ্তি দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও গতিশীল করে তুলবে।
ভারত চলতি বছরের মধ্যেই সিইপিএ বিষয়ক আলোচনা সম্পন্ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর লক্ষ্য হলো এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক কাঠামো তৈরি করা, যা উভয় দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য ন্যায্য ও বাণিজ্যিকভাবে অর্থবহ ফলাফল নিশ্চিত করবে।
সিইপিএ-এর ফলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির নতুন পথ উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রযুক্তি, দক্ষ জনশক্তি এবং স্থিতিস্থাপক সরবরাহ শৃঙ্খল বা সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে, যা ভারত ও চিলির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য আরও শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলবে।
