ওয়েব ডেস্ক; ২ মে : ভারতের নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা নির্ভুল ও উন্নতমানের করার লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে এবং নাগরিকদের জন্য ভোটদান প্রক্রিয়াকে আরও সুবিধাজনক করে তুলেছে। এই বছরের মার্চ মাসে নির্বাচন কমিশনার ডঃ সুখবীর সিং সান্ধু এবং ডঃ বিবেক জোশীর উপস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) সম্মেলনে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার যে উদ্যোগের পরিকল্পনা নিয়েছিলেন এই পদক্ষেপগুলি তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কমিশন এখন থেকে রেজিস্ট্রেশন অফ ইলেক্টরস রুলস, ১৯৬০-এর ৯ নম্বর বিধি এবং জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ১৯৬৯ (২০২৩ সালে সংশোধিত) -এর ধারা ৩(৫)(বি) অনুসারে ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছ থেকে বৈদ্যুতিনভাবে মৃত্যু নিবন্ধনের তথ্য সংগ্রহ করবে। এটি নিশ্চিত করবে যে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকরা (ইআরও) নিবন্ধিত মৃত্যুর বিষয়ে সময়মতো যাতে তথ্য পান। এর ফলে, বুথ লেভেল আধিকারিকরা (বিএলও) ফর্ম ৭-এর আওতায় আনুষ্ঠানিক অনুরোধের অপেক্ষা না করেই ক্ষেত্র পরিদর্শনের মাধ্যমে তথ্য পুনরায় যাচাই করতে পারবেন।
ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ (ভিআইএস) আরও ব্যবহারের উপযোগগী করতে কমিশন এর নকশা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হরফের আকার বড় হওয়ার সাথে সাথে ভোটারের ক্রমিক নম্বর এবং অংশ নম্বরটি এখন আরও স্পষ্টভাবে প্রদর্শিত হবে, যাতে ভোটাররা তাদের ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করতে এবং পোলিং অফিসারদের পক্ষে দক্ষতার সাথে ভোটার তালিকায় তাদের নাম খুঁজে বার করতে পারে।
কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে যে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ১৩ বি (২) -এর আওতায় ইআরও দ্বারা নিযুক্ত সমস্ত বিএলওকে স্ট্যান্ডার্ড ফটো আইডেন্টিটি কার্ড দেওয়া হবে যাতে নাগরিকরা ভোটার যাচাইকরণ এবং নিবন্ধকরনের সময় বিএলওগুলিকে চিনতে এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। নির্বাচন সম্পর্কিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ভোটার এবং ইসিআইয়ের মধ্যে প্রথম সংযোগ হিসাবে, বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনের সময় বিএলও-রা জনসাধারণের কাছে সহজেই চিহ্নিত হতে পারেন, সেটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
