কলকাতা,১৭ অক্টোবর : বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রথা এবং উৎসবের আমেজকে উদযাপনের লক্ষ্যে আবারও একটি সর্বাঙ্গীণ ‘৩৬০-ডিগ্রি’ দুর্গাপূজা প্রচার অভিযান নিয়ে এসেছে। প্রতি বছরই ‘ফরচুন’ বিভিন্ন অর্থবহ উৎসবকেন্দ্রিক উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রেতাদের সাথে যুক্ত হয়। এ বছর তারা কলকাতা ও সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে নানা ধরনের আকর্ষণীয় সরাসরি অভিজ্ঞতা (on-ground experiences), ক্রেতাদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কার্যক্রম এবং সমাজভিত্তিক কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এবারের উদযাপনের প্রধান আকর্ষণ হলো কলকাতার বিখ্যাত দেশপ্রিয় পার্কে ‘রাজবাড়ি’র আদলে তৈরি একটি চমৎকার শিল্পকর্ম। বাংলার ঐতিহাসিক ‘বনেদি বাড়ি’গুলোর জাঁকজমক ফুটিয়ে তোলা এই স্থাপত্যকর্মটি তৈরি হয়েছে ৩,০০০-এরও বেশি ‘ফরচুন’ জার ও পণ্যের প্যাকেট ব্যবহার করে। ঐতিহ্যের এই উদযাপনের পাশাপাশি, ‘ফরচুন’ তুলে ধরছে অনন্য ‘ফুড আর্ট’ বা খাদ্য-শিল্প।
এছাড়া, #PujoTeAmiEtaKori হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে তারা মানুষের ব্যক্তিগত পূজার আচার-অনুষ্ঠানগুলোকে উদযাপন করছে এবং তাদের প্রধান উদ্যোগ #FortuneSobarPujo -এর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যেও ছড়িয়ে দিচ্ছে উৎসবের আনন্দ।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে, এডব্লিউএল এগ্রি বিজনেস লিমিটেড (AWL Agri Business Ltd.)-এর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের জয়েন্ট প্রেসিডেন্ট, মুকেশ মিশ্র বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ‘ফরচুন’ (Fortune)-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার। আমরা সবসময়ই রাজ্যের গ্রাহকদের সাথে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হওয়ার অর্থবহ উপায় খুঁজে থাকি। দুর্গাপূজার মতো ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলো আমাদের গ্রাহকদের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার এক অনন্য সুযোগ করে দেয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে, উৎসবের আচার-অনুষ্ঠান ও যৌথ অভিজ্ঞতায় খাবার এক অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশপ্রিয় পার্ক এবং বাদামতলা আষাড় সংঘে আমাদের এই উদ্যোগের মাধ্যমে, আমরা বাংলার সমৃদ্ধ স্থাপত্য ঐতিহ্য ও উৎসবের রীতিগুলোকে শিল্পের আদলে জীবন্ত করে তুলে এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধনকেই সম্মান জানাতে চেয়েছি। একই সাথে, আমাদের ‘#FortuneSobarPujo’ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করছি যেন উৎসবের আনন্দ সেইসব মানুষের কাছেও পৌঁছে যায়, যারা হয়তো অন্যথায় এই উদযাপনে পুরোপুরি শামিল হতে পারতেন না। ‘ফরচুন’-এ আমাদের লক্ষ্য হলো—শুধুমাত্র দৈনন্দিন রান্নার অংশ হয়ে থাকাই নয়, বরং বিভিন্ন ঐতিহ্য, অভিজ্ঞতা ও মুহূর্তের মধ্য দিয়ে গ্রাহকদের সাথে এমন এক অর্থবহ সম্পর্ক গড়ে তোলা, যা মানুষকে একে অপরের কাছাকাছি নিয়ে আসে।”
