ওয়েব ডেস্ক; ২৬ আগস্ট: ২০১৮ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক রক্তাল্পতা মুক্ত ভারত উদ্যোগ চালু করে। এতে সুরক্ষিত খাবারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। ২০১৯ সালে চাল সুরক্ষিত করার জন্য একটি পাইলট কর্মসূচি শুরু হয়। ২০২২ সালে সরকার এই উদ্যোগে অনুমোদন দেয় এবং ২০২৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যে খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় কাস্টম মিল করা চালের বদলে সুরক্ষিত চাল ব্যবহার করা হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০২৮ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সরকারি প্রকল্পের আওতায় সুরক্ষিত চালের সরবরাহ অব্যাহত রাখার অনুমোদন দিয়েছে। এর জন্য ভারত সরকার ১০০% তহবিল (১৭,০৮২ কোটি টাকা) প্রদান করবে।

ফোর্টিফায়েড চাল এবং গমের ব্যবহার রক্তাল্পতা কমানোর পাশাপাশি শিশুদের মানসিক ও স্নায়বিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখে। মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক জানিয়েছে, ৭৫-তম স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ অনুযায়ী ২০২১-২২ সাল থেকে ডব্লুবিএনপি এবং এসএজি-র আওতায় সাধারণ ভাতের পরিবর্তে ফোর্টিফায়েড রাইস দেওয়া হচ্ছে। এটি আয়রন, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি১২-র মতো মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টের অভাবে মহিলা ও শিশুদের অপুষ্টি এবং রক্তাল্পতার বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প প্রতিমন্ত্রী রবনীত সিং এই তথ্য জানান।