বিশ্বের তৃতীয় সবচেয়ে প্রাচীন এবং এশিয়ার সবচেয়ে পুরনো ফুটবল প্রতিযোগিতা ডুরান্ড কাপ-এর আসর পুনরায় বসতে চলেছে। কোভিড-১৯ মহারামীরার কারণে গত বছর এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যায়নি। সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা (এআইএফএফ), আএফএ (পশ্চিমবঙ্গ) এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় কলকাতায় বসতে চলেছে ১৩০ তম ডুরান্ড কাপ-এর আসর।
ঐতিহ্য ও মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতার আসর প্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৮৮ সালে হিমাচল প্রদেশের ডাগশাই-তে। ভারতের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত বিদেশ সচিব মর্টিমার ডুরান্ডের নাম অনুসারে এই ফুটবল প্রতিযোগিতার নামকরণ করা হয়। এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্যই ছিল প্রাথমিকভাবে ব্রিটিশ সেনা বাহিনীর কর্মীদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বজায় রাখার জন্য সচেতনতার প্রসার। পরবর্তী সময়ে এই প্রতিযোগিতা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম দল হলো মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল। এই দুই দলই প্রত্যেকে ১৬ বার করে ডুরান্ড কাপ জিতেছে।
বিজয়ী দলকে ৩টি পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রথমটি হলো রাষ্ট্রপতি কাপ, দ্বিতীয়টি হলো ডুরান্ড কাপ এবং তৃতীয়টি হলো সিমলা ট্রফি। ২০১৯ সালে এই প্রতিযোগিতা দিল্লি থেকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়। সেই বছর কেরালা গোকুলাম প্রতিযোগিতার ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতে নেয়। রাজ্যের রাজধানীতে ফের আবার ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর – চার সপ্তাহ ব্যাপী এই টুর্নামেন্টের আসর বসতে চলেছে। এই সময়ের মধ্যে কলকাতা এবং তার আশপাশের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে। বাহিনীর চারটি দল সহ সারা দেশ থেকে ১৬টি অংশগ্রহণকারী দল এই প্রতিযোগিতায় যোগ দিচ্ছে।