কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ তথা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রী আর কে সিং বুধবার সোলার রুফ টপ কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন। অগ্রগতি পর্যালোচনার পর মন্ত্রী এই কর্মসূচিকে আরও সরল করার নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সাধারণ মানুষ সহজে এর সুবিধা নিতে পারেন। তিনি নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, স্বীকৃত ভেন্ডারদের কাছ থেকেই কেবল বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্যানেল বসানোর যে নিয়ম-নীতি রয়েছে তা সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্যানেল বসাতে চাইলে পছন্দসই ভেন্ডারের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তবে, এ ধরনের প্যানেল বসানোর পর সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাকে ছবি সহ বিবরণী পাঠাতে হবে। বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাগুলিকে বাড়ির ছাদে বসানো সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল সম্পর্কে চিঠি লিখে বা আবেদনপত্র জমা দিয়ে অথবা সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়েও জানানো যেতে পারে। এরপর, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা সৌর প্যানেল বসানোর ১৫ দিনের মধ্যে যাতে মিটারিং ব্যবস্থা চালু করা যায় তা সুনিশ্চিত করবে। সরকার বাড়ির ছাদে ৩ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেলগুলির ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ কিলোওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দেবে। ভর্তুকির এই অর্থ সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্যানেল ও ইনভার্টারের গুণমান যাতে বজায় থাকে তার জন্য সরকার নির্দিষ্ট সময় অন্তর মানক ব্যবস্থা জারি করে থাকে। সরকারের প্রকাশিত এই তালিকায় সোলার প্যানেল এবং ইনভার্টার উৎপাদক সংস্থাগুলির নামও দেওয়া হয়। এমনকি, তালিকায় প্যানেল ও ইনভার্টারের দামেরও উল্লেখ থাকে। এর ফলে, গ্রাহক সহজেই তালিকা থেকে তাঁর পছন্দসই প্যানেল ও ইনভার্টারের মূল্য জানতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থার পক্ষ থেকে জারি করা নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী যে কোনও ব্যক্তি বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসাতে পারেন। এমনকি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোন সোলার প্যানেল বা ইনভার্টার ব্যবহার করবেন সে ব্যাপারেও তাঁর পছন্দের অধিকার রয়েছে।
