ডিজিটাল; ১৫ মে: প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভট্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতির জন্য বিজ্ঞানী সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশকে ভবিষ্যৎ বিপদের মোকাবিলায় প্রস্তুত করে তুলতে প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি জরুরি। ভট্ট সম্প্রতি নতুন দিল্লীতে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) আয়োজিত জাতীয় প্রযুক্তি দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছিলেন। দেশীয় সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের চাহিদা মেটাতে সরকার সর্বাত্মক প্রয়াস চালাচ্ছে জানিয়ে ভট্ট সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উৎকর্ষতা অর্জনে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সকলকে একজোট হয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন।
প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জনে ডিআরডিও-র প্রচেষ্টার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারত গঠনের প্রয়াসের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ডিআরডিও স্বশস্ত্র বাহিনীগুলিকে সর্বাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও সাজ-সরঞ্জাম যোগান দিয়ে থাকে। অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন তথা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ডিআরডিও নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছে। এরফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারী ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ বেড়েছে। লাগাতার এই প্রয়াসের ফলেই প্রতিরক্ষা রপ্তানী ক্ষেত্রে ভারত এখন বিশ্বের অগ্রণী ২৫টি দেশের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯৯৮-এ পোখরানে পারমাণবিক পরীক্ষার ঘটনার কথা স্মরণে রেখে প্রতি বছর ১১-ই মে দিনটি জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। ভট্ট বলেন, এবারের জাতীয় প্রযুক্তি দিবসের মূল ভাবনার সঙ্গে দেশের অগ্রগতিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টিও জড়িয়ে রয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যের জন্য কয়েকজন বিজ্ঞানীকে ডিআরডিও-র পুরস্কার প্রদান করেন। ২০১৯ সালের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়। আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীরা তিনটি বিষয়ে বক্তৃতা দেন। অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন দপ্তরের সচিব তথা ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান ডাঃ জি সতীশ রেড্ডি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রকে আত্মনির্ভর করে তুলতে বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের অবদানের প্রশংসা করেন।
