ডিজিটাল; ৪ সেপ্টেম্বর: বিভিন্ন নিউরো – ডিজেনেরেটিভ ব্যাধির প্রাথমিক কারণ একাধিক প্রোটিনের বৃদ্ধি। এই বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা নেয় হাইড্রেশন ডায়নামিক্স। এই বৃদ্ধি প্রক্রিয়া আগেই চিহ্নিত করা যায় অল্টারিং ওয়াটার নেটওয়ার্ক ডায়নামিক্স চিহ্নিত করে এবং তার নিয়ন্ত্রণ করা যায় নিষ্ক্রিয় উপাদানগুলি দিয়ে, যা একটি ওষুধ বা অন্য সক্রিয় উপাদানের বহন মাধ্যম হিসাবে কাজ করে।
এটাই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের স্বশাসিত সংস্থা কলকাতার এন এন বোস ন্যাশনাল সেন্টার ফর বেসিক সায়েন্সেস (এসএনবিএনসিবিএস) – এর বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার।
অধ্যাপক রাজীব কুমার মিত্রের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীরা চারটি বিষয় পরীক্ষা করে দেখেছেন, যেমন – আর্গিনাইন, গ্লুকোজ, ইউবিক্যুইটিন এবং বোভাইন সেরাম অ্যালবুমিন। এগুলি এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
‘লিকুইড ফেজ সেপারেশন’ বা এলএলপিএস পিবডিজ – এর মতো সেলস্ অর্গানেলেস গঠনে দায়ী। কোষের সাইট্রোপ্লাজমে মেমব্রেন ছাড়া কোষ্ঠতে সেগুলি নিউক্লিয়াস হিসাবে থাকে। এলএলপিএস নিজে থেকেই বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। স্থির প্রোটিন বৃদ্ধির গঠনের সময়ে এটি মধ্যবর্তী কারণ হিসাবে বর্তমান থাকে। যখন বহু বাহুযুক্ত প্রোটিন এটির সঙ্গে ক্রিয়া করে, তখন এর দ্রুত রূপান্তর ঘটে; প্রোটিন সংবদ্ধতা বৃদ্ধি পায়। এই প্রক্রিয়াটির সূচনা হয় লিক্যুইড ফেজ ট্রান্সফারের মাধ্যমে। মানুষের, বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের বয়সজনিত অ্যালজাইমার, পার্কিনসন এবং ছানির মতো স্নায়ু বৈকল্যজনিত ব্যাধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেজন্য আণবিক ক্ষেত্রে পর্যায় বিভেদীকরণ প্রক্রিয়াটি বোঝা জরুরি এই মলিকিউলার বায়োলজি নিয়ে গবেষণার জন্য।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের স্বশাসিত সংস্থার বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, এলএলপিএস হলে কিভাবে প্রোটিনের হাইড্রেশনে পরিবর্তন ঘটে। গবেষকরা দেখেছেন, এলএলপিএস – এ জলের বড় ভূমিকা আছে। আর এই এলএলপিএস-ই স্নায়ু বৈকল্যজনিত ব্যাধির মূল কারণ। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, নিষ্ক্রিয় উপাদান, যেগুলি ওষুধ বা শুক্রোজের মতো অন্য সক্রিয় উপাদান বহন করে থাকে, সেগুলি এলএলপিএস-কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অতএব, এই উপাদানগুলি ব্যবহার করে ওয়াটার নেটওয়ার্কস্ ডায়নামিক্সের পরিবর্তন ঘটিয়ে এই ব্যাধির বাড়বাড়ন্ত রোধ করা যায়। তাঁদের পরীক্ষায় দেখে গেছে, এলএলপিএস প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে প্রোটিন এবং এক্সিপিয়েন্ট হাইড্রেশন – এই দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।
