ওয়েব ডেস্ক; ২২ সেপ্টেম্বর: গত ২১ শে সেপ্টেম্বর , দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ১১২ ব্যাটালিয়নের সীমা চৌকি বিথারির সতর্ক জওয়ানরা, রুপার অলঙ্কার চোরাচালানের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করে চোরাচালান ব্যর্থ করেছে এবং ১০.৯ কেজি রুপার অলঙ্কার সহ এক চোরাকারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে। চোরাকারবারি এসব গহনা ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করতে যাচ্ছিল। জব্দকৃত রূপার গহনার আনুমানিক মূল্য ৬,৪৭,৮০০/- টাকা।
উল্লেখ্য যে সীমা চৌকি বিথারির জওয়ানরা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করে ডাহারকান্দা গ্রাম থেকে হাকিমপুর গ্রামের দিকে যাওয়া এক মোটরসাইকেল আরোহীকে থামায়। এরপর জওয়ানরা মোটরসাইকেলটিতে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করে। তল্লাশির সময়, বাইকের পেট্রোল ট্যাঙ্কের নিচের গহ্বর থেকে ১০.৯ কেজি ওজনের রুপার গয়না উদ্ধার হয়। জওয়ানরা তাৎক্ষণিকভাবে রুপার গয়নাগুলো আটক করে এবং মোটরসাইকেল চালককে গ্রেপ্তার করে। ধৃত পাচারকারীর পরিচয় মোজাফফর দফাদার, পিতা শওকত দফাদার, গ্রাম- ডাহারকান্দা, জেলা উত্তর 24 পরগণার বলে জানা যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে চোরাকারবারী জানায়, এই রূপার গহনা তাকে বিথারী গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল বিথারী বাজার এলাকায় দিয়েছিল। এরপর সে এই রূপার গহনা হাকিমপুর গ্রামে পৌঁছে আবার রফিকুলের কাছেই হস্তান্তর করতে যাচ্ছিল। এই কাজের জন্য রফিকুলের কাছ থেকে তার এক হাজার টাকা পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পথে বিএসএফ জওয়ানরা তাকে ধরে ফেলে।
আটক চোরাকারবারী ও জব্দ মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তেঁতুলিয়া কাস্টম অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ কে আর্য, ডিআইজি, জনসংযোগ কর্মকর্তা, দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত বলেছেন যে বিএসএফ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ কারণে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতরা নানা সমস্যায় পড়ছে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বিএসএফ জওয়ানরাকোনো অবস্থাতেই তাদের এলাকা থেকে চোরাচালান হতে দেবে না।
