ওয়েব ডেস্ক; ২৩ সেপ্টেম্বর: দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীন বিএসএফ জওয়ানরা ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে তাদের দায়িত্বের এলাকা থেকে ১১.৬৫০ কেজি গাঁজা, ২৭৪ বোতল ফেনসিডিল এবং ৫০ বোতল হিউম্যান নরমাল অ্যালবুমিন ইনজেকশন জব্দ করেছে। জব্দকৃত ফেনসিডিলের আনুমানিক মূল্য ৫৫,৮৪৫/- টাকা এবং ৫০ বোতল ইনজেকশনের আনুমানিক মূল্য ১,৪৫,০০০/- টাকা। চোরাকারবারীরা এসব পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে পার করার চেষ্টা করছিল।
প্রথম ঘটনায়, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ৩২ ব্যাটালিয়নের সীমা চৌকি মাটিয়ারির জওয়ানরা তাদের এলাকায় কিছু সন্দেহজনক কার্যকলাপ লক্ষ্য করে। এরপর জওয়ানরা তাদের এলাকায় টহল বাড়িয়ে দেয়। জওয়ানরা ধীরে ধীরে চোরাকারবারীদের দিকে অগ্রসর হয় এবং তাদের চ্যালেঞ্জ করে। জওয়ানদের তাদের দিকে আসতে দেখে চোরাকারবারীরা অন্ধকার ও উঁচু পাট ফসলের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর জওয়ানরা ওই এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৫ টি ব্যাগে রাখা ৮ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল ইনজেকশন উদ্ধার করে।
এছাড়া একই দিনের অন্যান্য ঘটনায় সীমা চৌকি গোবর্ধা- ১৫৩ ব্যাটালিয়ন, সীমা চৌকি মধুপুর- ৬৮ ব্যাটালিয়ন এবং সীমা চৌকি মেঘনা, অ্যাডহক এসবি- IX ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা তাদের দায়িত্বের এলাকা থেকে ২৭৪ বোতল ফেনসিডিল ও ৩.৬৫০ কেজি গাঁজা জব্দ করে।
জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিএসএফ, সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের মুখপাত্র এ কে আর্য, ডিআইজি জওয়ানদের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন যে এটি কর্তব্যরত জওয়ানদের দ্বারা প্রদর্শিত সতর্কতার প্রতিফলন মাত্র। তিনি জনগণকে কোনো অবস্থাতেই চোরাচালানের পথ অবলম্বন না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কড়া ভাষায় বলেন যে বিএসএফ জওয়ানরা কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে চোরাচালান বা অন্য কোনো ধরনের অপরাধ ঘটতে দেবেন না এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও ছাড় দেবেন না।
