ওয়েব ডেস্ক; ২৯ নভেম্বর: ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে আগামী বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে নাসা-ইসরো সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার নামাঙ্কিত ভূ-পর্যবেক্ষক উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে।
মাইক্রোওয়েভ দূর-সংবেদী প্রণালী সম্বলিত এই কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ নিয়ে নতুন দিল্লিতে সম্প্রতি নাসা প্রধান বিল নেলসনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং-এর বৈঠক হয়। এই উপগ্রহকে মহাকাশে নিয়ে যাবে ইসরোর পিএসএলভি রকেট। নাসা-ইসরো সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার- নিসার, ভূমি বাস্তুতন্ত্র, পৃথিবীর জমির ক্ষয়, পার্বত্য ও মেরু অঞ্চলের অবস্থা, উপকূল অঞ্চল প্রভৃতি বিষয়ে গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি পাঠাবে। জানা গেছে যে, এই উপগ্রহের যন্ত্রাংশ সংযুক্তিকরণের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বেঙ্গালুরুতে।
চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সাফল্যের জন্য ভারতকে অভিনন্দন জানান নাসা প্রধান। আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে নাসার রকেটের সাহায্যে ভারতের প্রথম মহাকাশচারীকে নিয়ে যাওয়ার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার কথাও বলেন তিনি।
এবছরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় দু-দেশের মধ্যে দুসপ্তাহব্যাপী যৌথ মহাকাশ উড়ান কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০২৪ সালে বেসরকারি ভিত্তিতে ভারতীয় মহাকাশচারীদের বহির্বিশ্বে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে নাসা।
মহাকাশে মানুষ পাঠানো এবং আরো নানা বিষয়ে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইসরো এবং নাসার যৌথ কর্মিগোষ্ঠীর অষ্টম বৈঠকটি হয় এবছরের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটনে।
ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংস্কারমূলক পদক্ষেপের দরুণ মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্ট আপের ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। চার বছর আগে এধরনের স্টার্ট আপের সংখ্যা ছিল ১০ এর কম, এখন তা দেড়শোর বেশি।
নেলসন নিজে একজন ডাকসাইটে মহাকাশচারী। ১৯৮৬-তে স্পেস শাটল ‘কলাম্বিয়া’র ২৪-তম উড়ানে সওয়ার ছিলেন তিনি।
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেত্তি।
