ওয়েব ডেস্ক; ২৬ ফেব্রুয়ারি : মহাকুম্ভ ২০২৫-এর শেষ অমৃত স্নান ২৬ ফেব্রুয়ারি। সেখানে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা পুণ্যার্থীদের বিপুল সমাবেশ। রবিবার থেকেই পাটনা, দানাপুর, মজফফরপুর, গয়া, সাসারাম, কাটিহার, খাগাড়িয়া, সহর্ষ, জয়নগর, দ্বারভাঙা, গোরক্ষপুর, লক্ষ্মৌ, অযোধ্যা, বারানসী, কানপুর, দীনদয়াল উপাধ্যায়, জব্বলপুর, সাতনা, খাজুরাহ, ধানবাদ, বোকারো, রাঁচী প্রভৃতি স্টেশনে প্রয়াগরাজগামী যাত্রীদের ভিড়।

অমৃত স্নানের পর এরা সকলেই বাড়ি ফিরবেন। সেকথা মাথায় রেখে উত্তর-মধ্য রেল, উত্তর-পূর্ব রেল এবং উত্তর রেল বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। মৌনী অমাবস্যার সময় ৩৬০ টিরও বেশি ট্রেন চালানো হয়েছিল। মোট যাত্রী সংখ্যা ছিল ২০ লক্ষেরও বেশি। সেকথা মাথায় রেখে মহা শিবরাত্রির স্নানের পর ঘরমুখী জনতাকে সামলাতে বেশ কয়েকটি অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে রেল দফতর মহাকুম্ভের সময় ১৩ হাজার ৫০০টি ট্রেন চালানোর কথা ভেবেছিল। কিন্তু, মহাকুম্ভের ৪২ তম দিন পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন সহ ১৫ হাজারেরও বেশি ট্রেন চালানো হয়েছে। রবিবার ৩৩৫ টি ট্রেন চলেছে। বাড়ি ফিরেছেন ১৬ লক্ষ মানুষ।

যাবতীয় কর্মকাণ্ডের দিকে সতর্ক নজর রাখছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা সিইও সতীশ কুমার ট্রেন চলাচলের দিকটিতে সবসময় লক্ষ্য রাখছেন।
যাত্রীদের নিরাপত্তা, থাকার জায়গা, টিকিট কাটার কাজ সহজ করার দিকেও লক্ষ্য রাখা হয়েছে। প্রয়াগরাজ এলাকার বিভিন্ন স্টেশনে মোতায়েন রয়েছেন ১ হাজার ৫০০ রেলকর্মী এবং ৩ হাজার আরপিএফ জওয়ান। এছাড়াও, নিরাপত্তার তদারকিতে রয়েছে আরপিএফ-এর ১৯ টি স্কোয়াড, রেল মহিলা সুরক্ষা বাহিনীর দুটি স্কোয়াড এবং দুটি বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড। রয়েছেন অসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীরাও।

ভিড় খুব বেশি হয়ে গেলে যাত্রীদের কিছুক্ষণের জন্য খসরু বাগে রাখা হচ্ছে। স্টেশনগুলিতে রয়েছে পর্যাপ্ত চিকিৎসার বন্দোবস্ত।

মহাকুম্ভ ২০২৫-এর সময় বহু পুণ্যার্থীই রেলের ডিজিটাল পরিষেবা ব্যবহার করেছেন। লক্ষ লক্ষ যাত্রী রেলের ওয়েবসাইট এবং কুম্ভ অ্যাপ থেকে সহায়তা পেয়েছেন।