ওয়েব ডেস্ক; ২৮ এপ্রিল : সম্প্রতি আন্তর্জাতিক আকাশসীমা বন্ধ এবং আকাশসীমা ব্যবহারের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উড়ানের যাত্রাপথের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। এর ফলে, উড়ানের সময় বেড়েছে এবং কারিগরি কারণে বিরতি নেওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য, সুরক্ষা ও বিধিনিয়ম মেনে চলা সুনিশ্চিত করতে অসামরিক বিমান চলাচল নির্দেশনালয় সব বিমান সংস্থাকে অবিলম্বে যাত্রী পরিচালনার ব্যবস্থা উন্নত করার নির্দেশ দিয়েছে।

প্রধান পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে :
(১) স্বচ্ছ যোগাযোগ : যাত্রীদের অবশ্যই যাত্রাপথের পরিবর্তন, কতটা বেশি সময় লাগবে এবং যাত্রাপথে কোথাও থামতে হবে কিনা তা স্পষ্ট করে জানাতে হবে। চেকিং ও বোর্ডিং-এর সময় ডিজিটাল সতর্কতার মাধ্যমে এই বার্তা দিতে হবে।

(২) উড়ান চলাকালীন উন্নত পরিষেবা : যাত্রার সময় যাতে পর্যাপ্ত খাবার, পানীয় জল এবং বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা থাকে, বিমান সংস্থাগুলিকে তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

(৩) চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তুতি : যাত্রার সময় আকাশপথে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকতে হবে। যেসব বিমানবন্দরে প্রযুক্তিগত বিরতি নিতে হবে, সেইসব জায়গাতেও জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

(৪) গ্রাহক সহায়তা প্রস্তুতি : যাত্রায় বিলম্বের জন্য কোনো ক্ষতি হলে, অন্য বিমান ধরতে না পারলে যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা অথবা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এজন্য বিমান সংস্থাগুলির কল সেন্টার এবং গ্রাহক পরিষেবা দলগুলিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

(৫) যাত্রাকালীন সমন্বয় : বিমান পরিবহণ, গ্রাহক পরিষেবা, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা, আকাশপথের পরিষেবা এবং চিকিৎসা সম্পর্কিত ব্যবস্থার মধ্যে নিশ্ছিদ্র সমন্বয় রাখতে হবে।

প্রতিটি বিমান সংস্থাকেই বাধ্যতামূলকভাবে এই নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। এই নির্দেশিকা লঙ্ঘন করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নির্দেশিকা অবিলম্বে কার্যকর করা হচ্ছে। পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি জারি না করা পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।