ওয়েব ডেস্ক; ৫ সেপ্টেম্বর : কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইন্ডিয়া ব়্যাঙ্কিংস ২০২৫ প্রকাশ করেছেন। ২০১৫-য় এই উদ্দেশ্যেই শিক্ষা মন্ত্রক ন্যাশনাল ইন্সস্টিটিউশনাল ব়্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ) রচনা করে। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, সচিব বিনীত জোশী, এআইসিটিই –র চেয়ারম্যান অধ্যাপক পি সীতারাম, এনইটিএফ, এনএএসি এবং এনবিএ-র চেয়ারম্যান অধ্যাপক অনিল সহস্রবুদ্ধে এবং এমবিএ-র সদস্য সচিব ডঃ অনিল কুমার নাসা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির উপাচার্য এবং অধিকর্তারা।

প্রধান বলেন, এনআইআরএফ ২০২৫- ব়্যাঙ্কিং-এ আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলির শক্তি এবং আমাদের ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ প্রতিফলিত হয়েছে। এবছরে ব়্যাঙ্কিং-এ স্থান পাওয়া সব প্রতিষ্ঠানকে তিনি অভিনন্দন জানান। এনআইআরএফ জাতীয় মানদণ্ড হয়ে ওঠায় সন্তোষ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার বলেন, ভারতের উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থার আওতা এবং অন্তর্ভুক্তি বেড়েছে অভূতপূর্ব মাত্রায়। এবছর ১৪ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এনআইআরএফ শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানগুলির ক্রমপর্যায় স্থির করার জন্য বিশ্বাসযোগ্য কাঠামো তৈরি করছে তাই নয়, গুণমান, নিষ্ঠা এবং উদ্ভাবনের চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে।
২০১৬-য় প্রথমবার একটি শ্রেণী এবং ৩টি বিষয়ে ক্রমপর্যায় স্থির করা হত। পরে তা বেড়ে ২০২৫-এ ৯টি শ্রেণী এবং ৮ টি বিষয়ে ক্রমপর্যায় স্থির করা হয়েছে। সার্বিকভাবে প্রথম হয়েছে আইআইটি মাদ্রাজ, দ্বিতীয় হয়েছে ইন্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউট অফ সায়েন্স বেঙ্গালুরু, তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইআইটি বম্বে। আইআইটি খড়গপুর আছে ষষ্ঠ স্থানে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রথম স্থানে আছে ইন্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউট অফ সায়েন্স বেঙ্গালুরু, নতুন দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় আছে দ্বিতীয় স্থানে, মনিপাল অ্যাকাডেমি অফ হায়ার এডুকেশন আছে তৃতীয় স্থানে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আছে নবম স্থানে। কলেজগুলির মধ্যে নতুন দিল্লির হিন্দু কলেজ রয়েছে প্রথম স্থানে, দিল্লিরই মিরান্ডা হাউস দ্বিতীয় এবং হংসরাজ কলেজ আছে তৃতীয় স্থানে। কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স আছে অষ্টম স্থানে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ইন্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউট অফ সায়েন্স বেঙ্গালুরু রয়েছে প্রথম স্থানে, পঞ্চম স্থানে আইআইটি খড়গপুর। ইনোভেশন ইন্সস্টিটিউশন বিভাগে আইআইটি মাদ্রাজ প্রথম, আইআইটি খড়গপুর রয়েছে চতুর্থ স্থানে। মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগে প্রথম স্থানে আছে দিল্লির ইগনু। স্কিল ইউনিভারসিটি বিভাগে পুনের সিমবায়োসিস স্কিলস অ্যান্ড প্রফেশনাল ইউনিভারসিটি রয়েছে প্রথম স্থানে। রাজ্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগে প্রথম স্থানে আছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এসডিজি ইন্সস্টিটিউশানগুলির মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে আইআইটি মাদ্রাজ, ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তারাই প্রথম স্থান পেয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে আইআইটি খড়গপুর। ম্যানেজমেন্ট বিভাগে প্রথম স্থানে রয়েছে আইআইএম আমেদাবাদ, আইআইএম কলকাতা রয়েছে সপ্তম স্থানে। ফার্মাসি বিভাগে প্রথম স্থানে রয়েছে নতুন দিল্লির জামিয়া হামদর্দ। মেডিকেল বিভাগে নতুন দিল্লির এইমস রয়েছে প্রথম স্থানে।
তারাই রয়েছে ডেন্টাল বিভাগের প্রথম স্থানে। আইন বিভাগে প্রথম স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল ল স্কুল অফ ইন্ডিয়া ইউনিভারসিটি, বেঙ্গালুরু। কলকাতার দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল ইউনিভারসিটি অফ জুরিডিক্যাল সায়েন্সেস রয়েছে চতুর্থ স্থানে। আর্কিটেকচার অ্যান্ড প্ল্যানিং বিভাগে প্রথম স্থানে রয়েছে আইআইটি রুরকি, তৃতীয় স্থানে আইআইটি খড়গপুর। কৃষি এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে নতুন দিল্লির ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল ইন্সস্টিটিউট রয়েছে প্রথম স্থানে।