ওয়েব ডেস্ক; ৫ ডিসেম্বর : জাতীয় জৈব জ্বালানি নীতি দেশে বায়োডিজেল সহ বিভিন্ন জৈব জ্বালানি উৎপাদন এবং গ্রহণকে উৎসাহিত করে। সরকার বায়োডিজেল উৎপাদন প্রচারের জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় জৈব জ্বালানি নীতির আওতায় ডিজেলে বায়োডিজেল মিশ্রণ/সরাসরি জৈব ডিজেল বিক্রয়ের নির্দেশিকা নির্ধারণ, পরিবহণের জন্য উচ্চগতির ডিজেলের সঙ্গে মিশ্রণের জন্য বায়োডিজেল বিক্রয়ের নির্দেশিকা ২০১৯ ঘোষণা করা, মিশ্রণের জন্য বায়োডিজেল সংগ্রহ করতে জিএসটি-র হার ১২% থেকে কমিয়ে ৫% করা ইত্যাদি।
জৈব জ্বালানি জাতীয় নীতি বায়োডিজেল মিশ্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের জন্য করঞ্জা, নিম, মহুয়া এবং পোঙ্গামিয়ার মতো গাছ থেকে পাওয়া তেল (টিবিও)-এর মতো দেশীয় ফিড স্টক সরবরাহ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে। এগুলি অব্যবহৃত বা পতিত জমি থেকে তৈরি করা হয়। এর জন্য ন্যূনতম সামগ্রি প্রয়োজন এবং খরা প্রবণ এলাকাতেও এর চাষ করা যেতে পারে। এই নীতিটি বৃক্ষরোপণ, বীজ সংগ্রহ এবং তেল উত্তোলনের মতো কাজকর্মকে উৎসাহিত করে ও কর্মসংস্থান এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক কাজকর্ম সমর্থন জানায়।
সামগ্রিকভাবে বায়োডিজেল বাস্তুতন্ত্র বর্জ্য এবং কম মূল্যের কৃষি পণ্যের মূল্য সংযোজন করে, কৃষকদের বিভিন্ন রকম উৎপাদনের বিষয়টিকে সমর্থন জানায় এবং গ্রামীণ জীবিকার উন্নয়নে সহায়ক হয়। এছাড়া এক ফসলি আয়ের উৎসের ওপর নির্ভরতা কমায়।
লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী সুরেশ গোপী এই তথ্য জানান।
