শুভাবরি ওয়েব ডেস্ক, ৩০ ডিসেম্বর, কলকাতা:
কলেজ স্ট্রিট সংলগ্ন থিওসফিক্যাল সোসাইটি হলে সকাল ১১টা থেকে পশ্চিমবঙ্গ ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহলের একদিনব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি, দাবি-দাওয়া ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এদিন সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডঃ মঙ্গল সোরেন, কেন্দ্রীয় সম্পাদক বিজয় চন্দ্র সোরেন, কেন্দ্রীয় প্রধান সম্পাদক রবিন টুডু, বাঁকুড়া জেলার সভাপতি কালিপদ মুর্মু, পশ্চিম মেদিনীপুর (অবিভক্ত) জেলার সভাপতি রঘুনাথ হেমব্রম, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সভাপতি নিকোলাস টুডু এবং বীরভূম, বর্ধমান, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জেলা নেতৃত্ব।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও প্রস্তাব গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল,— আগামী দিনে সংগঠনকে আরও মজবুত করার বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ এবং প্রতিটি জেলার নেতৃত্বকে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান। পাশাপাশি সমাজে শিক্ষিত মানুষের উদ্যোগে আদিবাসী সমাজের সর্বস্তরের মানুষ যাতে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পায়, সে বিষয়ে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালানোর সিদ্ধান্ত ও নেওয়া হয়।
সভায় অলচিকি ভাষার শতবর্ষ উদযাপন ও বিভিন্ন স্কুলে এর বিস্তারের পরিসংখ্যানমূলক মূল্যায়ন করা হয়। একই সঙ্গে পন্ডিত রঘুনাথ মুরমু এবং সাঁওতালি কবি সাধুরাম চন্দ্র মর্মুকে ভারতরত্ন প্রদান করার দাবিও তোলা হয়।
এছাড়া আদিবাসী ধর্মকোড চালুর মাধ্যমে সাঁওতালি জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় পরিচয় সংরক্ষণের আহ্বান জানানো হয়, যাতে তারা অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত না হন। এদিন দাবি ওঠে, সরকার যেন এস টি (তফসিলি উপজাতি) সার্টিফিকেট দেওয়ার আগে যথাযথ যাচাই করে। ভারত সরকারের মুদ্রায় অলচিকি লিপি ব্যবহারের দাবিও জানানো হয়।
