ওয়েব ডেস্ক; ২৩ মার্চ : জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (ন্যাশনাল হেলথ মিশন – এমএইচএম) স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রে পর্যাপ্ত কর্মী ও মানবসম্পদ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। আদিবাসী প্রধান জেলাগুলিতে উন্নতমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক জনস্বাস্থ্য প্রণালী জোরদার করে তুলতে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে এনএইচএম-এর আওতায় কর্মসূচি রূপায়ণ পরিকল্পনার মাধ্যমে পেশ করা প্রস্তাব অনুযায়ী এগোনো হয়। অনুমোদনের বিষয়টি হয়ে থাকে রেকর্ড অফ প্রোসিডিংস (আরওপি) মারফৎ।

জনজাতি গোষ্ঠীভুক্ত মানুষের স্বাস্থ্য পরিচর্যার বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে তথ্যাদি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রণালীগত ব্যবস্থাপনা রয়েছে। সেখানে অপুষ্টি, রক্তাল্পতা, প্রসূতির স্বাস্থ্য – গুরুত্বপূর্ণ সবক’টি বিষয়েই সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়। ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সূচকের ওপর পারিবারিক সমীক্ষা করে থাকে।

এনএইচএম-এর আওতায় প্রত্যন্ত এবং আদিবাসী প্রধান এলাকায় স্বাস্থ্য পরিচর্যা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার বিধিতে কিছু ছাড় রয়েছে। ৩ হাজার জনপ্রতি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ২০ হাজার জনপ্রতি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ৮০ হাজার জনপ্রতি কমিউনিটি হেলথ সেন্টার গড়ে তোলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগে এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ন্যূনতম জনসংখ্যা অনেক বেশি ছিল।

প্রধানমন্ত্রী জনজাতি আদিবাসী ন্যায় মহাঅভিযানের সূচনা হয় ২০২৩-এর ১৫ নভেম্বর। এর আওতায় বিশেষভাবে সঙ্কটাপন্ন আদিবাসী প্রধান এলাকায় আরও ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

দেশজুড়ে চালু হয়েছে ১.৮৪ লক্ষ আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির। এছাড়া, টেলি-মেডিসিনের উদ্যোগ এই ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর হয়ে উঠেছে।

লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রতাপ রাও যাদব।