ওয়েব ডেস্ক; ২৭ মার্চ : ভারতের নির্বাচন কমিশন ১৫ মার্চ আসাম, কেরল, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার সাধারণ নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপনির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। সেইসঙ্গে, আদর্শ আচরণ বিধিও জারি হয়।
নির্বাচন হিংসা ও প্ররোচনামুক্ত করতে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৫,১৭৩টিরও বেশি ‘ফ্লাইং স্কোয়াড’ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন স্থানে নাকা-চেকিং এবং ৫,২০০টিরও বেশি স্থানে ‘নজরদারি দল’ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ পর্যন্ত মোট ৪০৮.৮২ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের অবৈধ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে – ১৭.৪৪ কোটি টাকার নগদ অর্থ, ৩৭.৬৮ কোটি টাকার (১৬.৩ লক্ষ লিটার) মদ, ১৬৭.৩৮ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য, ২৩ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতু এবং ১৬৩.৩০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের অন্যান্য সামগ্রী।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, চেকিং – এর ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকরা যাতে কোনও রকম হয়রানির শিকার না হতে হয় তা দেখতে হবে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য জেলা অভিযোগ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এমসিসি লঙ্ঘনে নাগরিক/রাজনৈতিক দলগুলি সি-ভিজিল মডিউল ব্যবহার করে অভিযোগ জানাতে পারেন।
‘সি-ভিজিল’ অ্যাপ – এর মাধ্যমে ১৫ই মার্চ থেকে ২৫শে মার্চ পর্যন্ত ৭০,৯৪৪টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৭০,৮৩১টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ৬৭,৮৯৯টি অভিযোগ, অর্থাৎ মোট অভিযোগের ৯৫.৮ শতাংশ ১০০ মিনিটের মধ্যেই সমাধান করা হয়েছে।
1950-তে ফোন করে যে কেউ ডিইও/আরও’র কাছে তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারেন।
