ওয়েব ডেস্ক; ১৪ জুলাই : বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক এবং ড্রোন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া-র যৌথ উদ্যোগে ‘স্বযান’ (SwaYaan) কর্মসূচির আওতায় ‘ড্রোন অ্যাপ্লিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ’-এর জন্য ‘ন্যাশনাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এর দ্বিতীয় সংস্করণ চালু করা হয়েছে। নয়াদিল্লির ইলেকট্রনিক্স নিকেতনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে
সারা দেশ থেকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সরকারি প্রতিনিধি এবং শিল্পক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা সশরীরে ও অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।

বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সচিব এস. কৃষ্ণন নিডার ২.০-র সমস্যা বা চ্যালেঞ্জের বিষয়বস্তু, পোস্টার এবং নিয়মাবলি সম্বলিত পুস্তিকা প্রকাশ করেন। এরপর ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব এবং ‘ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন’-এর সিইও অমিতেশ কুমার সিনহা বিশেষ ভাষণ দেন। এছাড়াও, ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের বিজ্ঞানী ‘জি’ ও গ্রুপ কো-অর্ডিনেটর শ্রীমতি তুলিকা পান্ডে এবং ড্রোন ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার সভাপতি স্মিত শাহ সভায় বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক, অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, ডিজিসিএ, সশস্ত্র বাহিনী এবং শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এস. কৃষ্ণন বলেন, “নিডার ২.০ আমাদের শিক্ষার্থীদের কেবল ড্রোন ওড়ানোর পর্যায় থেকে ড্রোন-এর ‘মস্তিষ্ক’ বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরির পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে। এটি ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের একটি উদ্যোগ, যার লক্ষ্য হলো বিদেশি চিপ ডিজাইন এবং সেগুলির লাইসেন্সিং খরচের ওপর দেশের নির্ভরতা কমানো।”

নিডার-এর প্রথম সংস্করণ ২০২৫ সালের মার্চ মাসে চালু হয়েছিল। এতে ২২টি রাজ্য, ৪টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ১০৯টি শহরের ৩,৪৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং নিখুঁত কৃষি পদ্ধতির জন্য স্বয়ংক্রিয় ড্রোন সমাধান বার করেছিলেন। মোট ৯৩টি দল চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছয়, যার মধ্যে ২৪টি দল মোট ৪০ লক্ষ টাকার পুরস্কার জিতেছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *