ওয়েব ডেস্ক; ২৬ জুলাই : মূল বিষয়বস্তু
স্টার্ট-আপ ভিলেজ এন্টারপ্রেনারশিপ প্রোগ্রাম (SVEP) প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা, পরামর্শ এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার মাধ্যমে কৃষি-বহির্ভূত উদ্যোগকে উৎসাহিত করে। গত ৩০ জুন পর্যন্ত এই কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশে ৪.৩২ লক্ষ গ্রামীণ উদ্যোগকে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

এই কর্মসূচিতে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং উদ্যোগ গড়ে তোলার সুযোগে সমতা নিশ্চিত করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উপকারভোগী উদ্যোক্তাদের প্রায় ৮৬ শতাংশ তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি জনজাতি (ST), সংখ্যালঘু এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর (OBC) অন্তর্ভুক্ত।

স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG), কমিউনিটি রিসোর্স পার্সন-এন্টারপ্রেনারশিপ প্রোমোটর (CRP-EP), ব্যাঙ্ক সংযোগ এবং প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে SVEP-এর পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।

দারিদ্র্য হ্রাস, স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে SVEP একটি কার্যকর তৃণমূলভিত্তিক মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

উদ্যোগভিত্তিক গ্রামীণ রূপান্তর

ভারত বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেমের অধিকারী। সরকারের সহায়ক নীতি এই বিকাশকে ত্বরান্বিত করেছে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। তবে ভারতের অধিকাংশ স্টার্ট-আপ শহরকেন্দ্রিক। এই পরিস্থিতিতে গ্রামীণ অঞ্চলে উদ্যোগ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে সরকার একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তার মধ্যে অন্যতম স্টার্ট-আপ ভিলেজ এন্টারপ্রেনারশিপ প্রোগ্রাম (SVEP)।

২০১৬ সালে শুরু হওয়া SVEP, দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনা–জাতীয় গ্রামীণ জীবিকোন্নয়ন মিশন (DAY-NRLM)-এর একটি উপ-কর্মসূচি। এর মাধ্যমে স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কৃষি-বহির্ভূত ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তুলতে সহায়তা করা হয়।

এই কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা, ব্যবসা পরিচালনার প্রশিক্ষণ, সফট স্কিল উন্নয়ন এবং ব্যবসা বিকাশ পরিষেবা প্রদান করা হয়। এর ফলে গ্রামীণ অঞ্চলে সুস্থায়ী জীবিকা এবং স্বনিযুক্তির সুযোগ বৃদ্ধি পায়।

SVEP ব্যাঙ্ক ঋণের সুযোগ এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় সাধনেও সহায়তা করে। দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৃহত্তর সামাজিক সুফল অর্জনই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। স্থানীয় স্তরে উদ্যোগের অর্থায়ন ও সহায়তার ক্ষেত্রে সম্প্রদায়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ SVEP-এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনা–জাতীয় গ্রামীণ জীবিকান্নোয়ন মিশন

দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনা–জাতীয় গ্রামীণ জীবিকান্নোয়ন মিশন (DAY-NRLM) বিশ্বের বৃহত্তম জীবিকাভিত্তিক উদ্যোগগুলির অন্যতম। এই কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ দরিদ্র পরিবারগুলিকে, বিশেষ করে মহিলাদের, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

তাঁদের সুস্থায়ী জীবিকা, আর্থিক পরিষেবার সুযোগ এবং দক্ষতা উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত DAY-NRLM-এর আওতায় ১০.২৯ কোটিরও বেশি গ্রামীণ পরিবার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

সারা দেশে গ্রামীণ উদ্যোগের বিস্তার

SVEP সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। বিশেষভাবে মহিলাদের, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং স্বল্পশিক্ষিত ব্যক্তিদের উদ্যোগ গড়ে তুলতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

শুরু থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জুন পর্যন্ত এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৪.৩২ লক্ষেরও বেশি গ্রামীণ উদ্যোগকে সহায়তা করা হয়েছে।

অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ এবং মধ্যপ্রদেশে এই কর্মসূচির অধীনে সর্বাধিক সংখ্যক উদ্যোগ গড়ে উঠেছে।

স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য থেকে সফল উদ্যোক্তা

মহারাষ্ট্রের জাহানপুরের বাসিন্দা ভাগ্যশ্রী লোন্ধে ২০১৪ সালে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে যোগ দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু করেন।

স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং গ্রাম সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাঁর নেতৃত্বের গুণ এবং ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। তিনি প্রথমে স্বল্প পরিসরে মশলা, পাপড় এবং আচার উৎপাদন শুরু করেন।

SVEP-র আওতায় কমিউনিটি এন্টারপ্রাইজ ফান্ড থেকে ₹৪৫,০০০ ঋণ পাওয়ার পর স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে তিনি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে সক্ষম হন।

মহালক্ষ্মী সরস ২০১৯–২০-তে তাঁর উদ্যোগ বিশেষ স্বীকৃতি পায়। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে তিনি ₹৫ লক্ষ টাকার বিক্রি করেন।

শেখার আগ্রহ তাঁকে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়। ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি, তিনি মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন।

NRLM এবং কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রশিক্ষণের ফলে তাঁর ব্যবসায়িক জ্ঞান ও কারিগরি দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন বৃহৎ পরিমাণে উৎপাদন করছে, নিয়মিত আয় সৃষ্টি করছে এবং বহু গ্রামীণ মহিলার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে।

তাঁর সাফল্যের কাহিনি দেখায়, কিভাবে উদ্যোগ, নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা একজন গ্রামীণ মহিলাকে সফল উদ্যোক্তায় পরিণত করতে পারে।

SVEP-এর আরও সম্প্রসারণের জন্য ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার মোট ₹৯৪২.০৯ কোটি বরাদ্দ করেছে। ২০১৬ সালে কর্মসূচি শুরু থেকে ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত যে ₹১১২.৩৯ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছিল, তার তুলনায় এই বরাদ্দ প্রায় ৭৩৮ শতাংশ বেশি।

গ্রামীণ উদ্যোগের বিকাশ ও সম্প্রসারণের রূপরেখা

SVEP রাজ্য গ্রামীণ জীবিকান্নোয়ন মিশনগুলির (SRLM) মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। প্রতিটি ব্লকের জন্য ₹৬.৫০ কোটি পর্যন্ত আর্থিক সংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রতিটি উদ্যোগে গড় বিনিয়োগের পরিমাণ ₹২৭,০৮৩।

ব্লক স্তরে বাস্তবায়ন কাঠামো

ব্লক স্তরে ব্লক রিসোর্স সেন্টার–এন্টারপ্রাইজ প্রোমোশন (BRC-EP) কর্মসূচির বাস্তবায়নে সমন্বয়সাধন করে। প্রশিক্ষিত কমিউনিটি রিসোর্স পার্সন–এন্টারপ্রাইজ প্রোমোশন (CRP-EP) উদ্যোগ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্লক রিসোর্স সেন্টারকে কারিগরি সহায়তা প্রদান করেন।

যোগ্য উদ্যোক্তাদের ব্যাঙ্কগুলি আর্থিক সহায়তা দেয়। স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG) এবং তাদের ফেডারেশন সম্ভাবনাময় উদ্যোগপতিদের চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। সম্প্রদায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলি উদ্যোগ গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং ধারাবাহিকভাবে হাতে-কলমে সহযোগিতা প্রদান করে। তারা কমিউনিটি এন্টারপ্রাইজ ফান্ড (CEF)-এর মাধ্যমে ঋণ পরিচালনার দায়িত্বও পালন করে।

এ ছাড়া, সম্প্রদায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলি নিয়মিতভাবে উদ্যোগের অগ্রগতি এবং কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করে। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, ঋণ মূল্যায়ন এবং উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়। এই সমন্বিত ব্যবস্থা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন এবং উদ্যোগের বিকাশ নিশ্চিত করে।

SRLM এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলি যৌথভাবে পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং শংসাপত্র প্রদানের মাধ্যমে CRP-EP নির্বাচন করে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং যাঁদের ব্যবসা পরিচালনা ও প্রাথমিক গণিতের দক্ষতা রয়েছে, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

কমপক্ষে ৯০ শতাংশ CRP-EP স্বনির্ভর গোষ্ঠীভুক্ত পরিবার থেকে নির্বাচিত হন এবং তাঁদের মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ মহিলা। প্রত্যেক CRP-EP সর্বাধিক ৫০টি উদ্যোগকে পরামর্শ, প্রশিক্ষণ এবং ঋণ গ্রহণে সহায়তা প্রদান করেন।

গ্রামীণ জীবিকা ও উদ্যোগের উপর SVEP-এর প্রভাব

গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে কোয়ালিটি কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (QCI) ২০১৯ সালে ব্যাপক ক্ষেত্রসমীক্ষার মাধ্যমে SVEP-এর একটি মধ্যবর্তী মূল্যায়ন পরিচালনা করে। এই মূল্যায়নে গ্রামীণ উদ্যোগ, জীবিকা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির উপর কর্মসূচির প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়।

মূল্যায়নে আয় বৃদ্ধি, উদ্যোগের বিকাশ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক ফলাফল উঠে এসেছে।

প্রসঙ্গত, ৯৯ শতাংশ SVEP-সমর্থিত উদ্যোগ লাভজনক ছিল।
SVEP-এর উদ্যোগগুলি সংশ্লিষ্ট পরিবারের মোট আয়ে ৫৭ শতাংশ পর্যন্ত অবদান রেখেছে।

প্রতিটি উদ্যোগের গড় মাসিক আয় ছিল প্রায় ₹৩৯,০০০।

উৎপাদনভিত্তিক উদ্যোগগুলির গড় মাসিক আয় ছিল সর্বাধিক, প্রায় ₹৪৭,৮০০।

বিশেষত, ৯৬ শতাংশ উদ্যোক্তা জানিয়েছেন যে তাঁদের সঞ্চয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বস্তুত, ৭৫ শতাংশ উদ্যোগের মালিক বা পরিচালনায় ছিলেন মহিলারা।

SVEP উদ্যোগপতির প্রাথমিক প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আয় করতে সহায়তা করেছে। আর্থিক পরিষেবায় সহজ প্রবেশাধিকার তাঁদের উদ্যোগ গড়ে তুলতে এবং সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা উদ্যোগ পরিচালনার দক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে।

এ ছাড়া, SVEP মহিলাদের এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে প্রথম প্রজন্মের উদ্যোগপতি হিসাবে গড়ে উঠতে উৎসাহিত করেছে। উপকারভোগীরা আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং জীবিকার নিরাপত্তা অর্জনের কথা জানিয়েছেন।

অনেক পরিবারে শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং সাস্থ্যবিধি ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। উদ্যোগপতিরা ব্যবসা পরিচালনা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আরও দক্ষ হয়ে উঠেছেন। সঞ্চয় বৃদ্ধি এবং পুনর্বিনিয়োগের ফলে উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদী বিকাশ সম্ভব হয়েছে। এই কর্মসূচি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদাও বাড়িয়েছে।

কল্যাণমূলক কর্মসূচি থেকে উদ্যোগনির্ভর উন্নয়নের পথে

SVEP প্রমাণ করেছে যে, মজবুত সম্প্রদায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সহায়তা পেলে গ্রামীণ উদ্যোগ অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি শক্তিশালী চালিকাশক্তি হতে পারে।

মহিলা, তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতিভুক্ত মানুষ এবং প্রথম প্রজন্মের উদ্যোগপতির ক্ষমতায়নে এই কর্মসূচি স্থানীয় আকাঙ্ক্ষাকে সুস্থায়ী উদ্যোগে রূপান্তরিত করেছে। এর ফলে, আয়ে বৃদ্ধি, সঞ্চয়ে বৃদ্ধি এবং পরিবারের সামগ্রিক জীবনযাত্রায় মান উন্নত হয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই কর্মসূচি দেখিয়েছে যে, দেশের প্রতিটি গ্রামেই উদ্যোগপতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপযুক্ত সহায়তা এবং অনুকূল পরিবেশ পেলে সেই সম্ভাবনা সফল উদ্যোগে পরিণত হতে পারে।

ভারত যখন বিশ্বে এক অগ্রণী স্টার্ট-আপ কেন্দ্র হিসাবে আত্মপ্রকাশের পথে এগিয়ে চলেছে, তখন SVEP-এর মতো কর্মসূচিগুলি একটি শক্তিশালী গ্রামীণ স্টার্ট-আপ পরিবেশ গড়ে তুলতে সাহায্য করছে। এই কর্মসূচি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে, স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে এবং অগনিত গ্রামীণ পরিবারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে।

পরিশেষে, আত্মনির্ভর ও উন্নত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে SVEP গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।