কলকাতা; ১৫ অক্টোবর: এভারেডি আলটিমার “Historic Toys, Iconic Power” উদ্যোগে সামিল ১৮ জন কারিগর। এভারেডি আলটিমা ব্যাটারির শক্তিতে ঐতিহ্যবাহী খেলনাগুলিকে নতুন রূপে সাজিয়ে আজকের শিশুদের কাছে ফিরিয়ে আনার এই উদ্যোগ।

প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধন ঘটিয়ে এভারেডি শিশুদের জন্য তাদের সর্বশেষ উদ্ভাবন—লিমিটেড এডিশন হেরিটেজ রিমোট-কন্ট্রোলড টয়স—বাজারে এনেছে। টেরাকোটার ঘোড়া, বাংলার পেঁচা এবং রাজা-রানি পুতুলকে উন্নত মানের ব্যাটারি শক্তির সাহায্যে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে।

বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প ও খেলনাগুলি বহু বাড়িতেই পরিচিত। তবে এগুলির সাংস্কৃতিক গুরুত্ব এবং কারুশিল্পের নেপথ্যের কাহিনি আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত। কারণ, তারা রিমোট-কন্ট্রোলড গাড়ি, বাইক এবং ব্যাটারিচালিত নানা গ্যাজেটের সঙ্গে বড় হচ্ছে। ফলে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পরীতি ক্রমশ ছোটদের কাছে তার প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে শিল্পীদের হাতে তৈরি এই লোকশিল্পের নিদর্শনগুলির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, সাংস্কৃতিক গুরুত্ব এবং শৈল্পিক সত্তা রয়েছে, যা গণহারে তৈরি প্লাস্টিকের খেলনায় কখনওই পাওয়া সম্ভব নয়।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে এভারেডি ইন্ডাস্ট্রিজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের সিইও অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভারতের গৌরবময় অতীত ও প্রাণবন্ত বর্তমানের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই ছিল আমাদের লক্ষ্য। ভারতের ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের নিদর্শনগুলির নিজস্ব সত্তা ও ইতিহাস রয়েছে, যা গণহারে তৈরি আমদানি করা প্লাস্টিকের খেলনায় কখনওই পুনরায় সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। এই প্রকল্পে কাজ করা ১৮ জন কারিগরের অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে আমাদের আল্টিমা ব্যাটারির শক্তিকে যুক্ত করে আমরা শুধু খেলনাগুলিকে চলমান করে তুলছি না; বরং নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্যকে আরও কাছের করে তুলছি। একই সঙ্গে দেখিয়ে দিচ্ছি, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কীভাবে আজকের শিশুদের কল্পনাকে মুগ্ধ করতে পারে।”

এই লঞ্চ দক্ষিণ কলকাতার মুদিয়ালি ক্লাবে হয়। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী রাইমা সেন ।
ক্লাবের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অরুণ লাল, সঙ্গীত ঘোষ, মনোজ সাউ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *