ওরা খেটে খাওয়া মানুষ। সকালে দৈনন্দিন কাজগুলো না করতে পারলে হয়তো আমার আপনার মতন অনেকেরই সমস্যা হবে। ওরা রোজ সকালে সাইকেল চালিয়ে আপনার বাড়িতে দুধ কাগজ এবং অন্যান্য পণ্য সরবরাহ করে। কিন্তু তাদের অভিযোগ কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় সাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে অনেক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিদিন। কলকাতার রাস্তায় তাদের দৈনন্দিন চলাচলের ওপর প্রভাব ফেলেছে এমন সাইকেল বিধি-নিষেধ সরানোর জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন ওরা।
সুইচ অন ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৫০ জনের বেশি সাইকেল-আরোহী যারা দৈনন্দিন কাজকর্ম স্বার্থে অন্যতম বাহন হিসেবে সাইকেল কে বেছে নিয়েছেন।
তাদের মধ্যে অন্যতম এক ব্যক্তি হনুমান সিং তিনি সংবাদপত্র বিক্রি করেন, তিনি বলেন সংবাদপত্র বিক্রি করেই আমি জীবিকা অর্জন করি আমাদের পক্ষে অভাবে সাইকেল চালানো এবং সংবাদপত্র বিক্রি করা সত্যিই কঠিন হয়ে পড়েছে।
নিজের জীবন যাপনের জন্য সাইকেলে করে বিভিন্ন পরিবারের কাছে পণ্য পরিবহন করেন এমনই একজন বিনোদ কুমার গুপ্ত বলেন রাস্তায় সাইকেল চালানো এবং সংবাদপত্র বিক্রি করার জন্য পুলিশ আমাদের কাছ থেকে প্রায়ই ১০০ টাকা করে জরিমানা দিতে হয়, এর ফলে আমাদের জীবনধারন খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে।
এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকে প্রত্যেকের দাবি তোলেন যে কলকাতায় আলাদা করে একটি সাইকেল লেন তৈরি করা হোক যেখানে সুষ্ঠুভাবে সাইকেল চালিয়ে মানুষ নিজেদের বিভিন্ন কাজে এবং জীবন ধারণ করতে পারবেন।
সুইচ অন ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে বিনয় জাজু বলেন কলকাতার রাস্তা থেকে সাইকেলের বিধিনিষেধ অবিলম্বে প্রত্যাহার করে কলকাতাকে সুস্থায়ী এবং বসবাসযোগ্য শহরের সাথে গড়ে তুলতে হবে সকল ট্রাফিক নিয়ম পালন করার জন্য আমরা কলকাতা পুলিশের সঙ্গে একত্র ভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।