নির্বাচন কমিশন মহামারী, বন্যা, উৎসব, নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে ঠান্ডার পরিস্থিতি, সংশ্লিষ্ট রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কাছ থেকে মতামত গ্রহণ এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, মধ্যপ্রদেশ ও হিমাচল প্রদেশে খালি থাকা তিনটি লোকসভা আসন এবং বিভিন্ন রাজ্যে ৩০টি বিধানসভা আসনে উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে।

এই রাজ্যে দিনঘাটা, শান্তিপুর, খড়দহ এবং গোসবা বিধানসভা আসনে উপ-নির্বাচন রয়েছে। এর জন্য পয়লা অক্টোবর গেজেট নটিফিকেশন জারি হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ হ’ল ৮ অক্টোবর। মনোনয়নপত্রগুলি পরীক্ষা করে দেখা হবে ১১ অক্টোবর। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৬ অক্টোবর। ভোট গ্রহণ হবে ৩০ অক্টোবর, শনিবার। ভোট গণনা ২ নভেম্বর, মঙ্গলবার। ৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, সমস্ত ভোট কেন্দ্রে উপ-নির্বাচনে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট ব্যবহার করা হবে। এর জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ইভিএম ও ভিভিপ্যাট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই মেশিনের সাহায্যে সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ সুনিশ্চিত করার জন্য সবধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কমিশন কোভিড বিধি মেনে ভোটপর্ব সম্পন্ন করার জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। মনোনয়ন জমা, প্রচারপর্ব, তারকা প্রচার, রোড-শো, পথসভা, বাড়ি বাড়ি প্রচার, ভিডিও ভ্যানের মাধ্যমে প্রচার, প্রচারের জন্য গাড়ির ব্যবহার ইত্যাদি ক্ষেত্রে একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কঠোরভাবে কোভিড বিধি মেনে চলতে হবে। নির্বাচনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, নির্বাচনী আধিকারিক সহ ভোটের কাজে যুক্ত বেসরকারি কর্মীদেরও টিকার ২টি ডোজ হওয়া বাধ্যতামূলক। এমনকি, প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট, পোলিং এজেন্ট, কাউন্টিং এজেন্ট, গাড়ির চালক – যাঁরা জনসাধারণ অথবা নির্বাচনী আধিকারিকদের সরাসরি সংস্পর্শে আসবেন, তাঁদেরও টিকার দুটি ডোজ হওয়া বাধ্যতামূলক। প্রত্যেক নির্বাচনী কেন্দ্রে একজন করে স্বাস্থ্য কর্মীকে কোভিড নোডাল আধিকারিক হিসাবে নিয়োগ করতে হবে। মুখ্যসচিব, ডিজি এবং সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক/পুলিশ সুপারদের পর্যাপ্ত কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং ভোটের আগে ও পরে যাতে কোনও হিংসার ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জারি করা নির্দেশিকার প্রেক্ষিতে ভারতের নির্বাচন কমিশন ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে ।