বর্তমানে করোনা মহামারীর জেরে ছোট থেকে বড় সবার পড়াশোনা গণ্ডি হয়ে দাঁড়িয়েছে বাড়ি এবং বাড়ি থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে গেলে প্রয়োজনীয় অনলাইন ক্লাস। সেই অনলাইন ক্লাস কে ছোট থেকেই ছাত্র-ছাত্রীদের অনুশীলনের মধ্যে রাখতে প্রি স্কুলারদের অর্থাৎ ৩ থেকে ৬ বছরের শিশুদের জন্য অনলাইন সিস্টেম নিয়ে আসলো আদিত্য একাডেমী এবং তার সাথে নালন্দা লার্নিং সিস্টেম। শুরু হতে চলেছে নালন্দা লার্নিং সিস্টেমের প্রিস্কুল ২.০ ।
এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এই সিস্টেমের উদ্বোধন করলেন আদিত্য গ্রুপের চেয়ারম্যান অনির্বাণ আদিত্য, আদিত্য গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রোশনি আদিত্য, ডিরেক্টর আদিত্য একাডেমী গ্রুপ অফ স্কুলের সবিতা সাহা, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আদিত্য একাডেমী সিনিয়র সেকেন্ডারী স্কুল দমদম এর প্রিন্সিপাল সোনালী সরকার, আদিত্য একাডেমী বারাসাতের প্রিন্সিপাল জেমস রিনগ্রো এবং নালন্দা লার্নিং এর ডিরেক্টর এবং ফাউন্ডার তমাল মুখার্জি।
রাজ্যের প্রত্যন্ত সমস্ত অঞ্চলে এই ডিজিটাল প্লাটফরমটি পৌঁছে দিতে দৃঢ় সংকল্প নিয়েছে সংস্থা। সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে আগামী ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই সিস্টেম শুরু হতে চলেছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে শিশুরা পড়াশোনা করলে আগামী দিনে তারা অনলাইন ক্লাস এর সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবেন এবং উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবে না এমনই দাবি সংস্থার।
অনির্বাণ আদিত্য বলেন এই মহামারীর জন্য এখন পড়াশোনা অনলাইনে হয়ে গেছে। এই সিস্টেমের ফলে ছাত্রছাত্রীরা খুব সহজেই এবং খুব উৎসাহের সাথে পড়াশোনা করবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে এই সিস্টেমের মাধ্যমে তারা অনেক উপকারী হবেন।
তমাল মুখার্জির বক্তব্য প্রি স্কুল সেক্টর সারা ভারতে এই পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রদান খুব সঙ্কটজনক হয়ে উঠেছে । আদিত্য একাডেমী গ্রুপের এই শিক্ষা দেওয়ার নতুন উদ্যোগ ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা করতে খুবই সাহায্য করবে।
আদিত্য একাডেমী তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে আগামী দিনে প্রতিটি জেলা , পঞ্চায়েত, মিউনিসিপ্যালিটি, ওয়ার্ডে তৈরি করা হবে প্রি স্কুল । এই প্রোজেক্টের নাম দেওয়া হয়েছে আমার পাড়ায় আমার স্কুল।
এবছর বিভিন্ন জায়গায় ১২ টি স্থানে এই ধরনের স্কুল খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তার সাথে আগামী দিনে ১০০ টি স্থানে এই ধরনের স্কুল খোলা হবে বলেও জানা গেছে সংস্থার তরফ থেকে। এছাড়া প্রতিটি স্কুলে ১০% সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গেছে।