ডিজিটাল; ৫ এপ্রিল: ১৯৮৮ সালের জাতীয় অরণ্য নীতি অনুযায়ী দেশে মোট জমির এক তৃতীয়াংশে বনাঞ্চল থাকতে হবে। এই লক্ষ্য পূরণে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইতিমধ্যেই দেশে বনসৃজন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে বনের এলাকাও বেড়েছে। ভারতে বনের মোট পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সেটি প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে, না কি কৃত্রিমভাবে বনসৃজন করা হয়েছে সে বিষয়টি বিবেচনা হয়না। আর তাই ব্যক্তিগত জমি, সর্বজনীন এলাকা, সরকারি জমি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জমিতে বাঁশ, ফলের গাছ, নারকেল গাছ ইত্যাদি বাগিচার পরিমাণ যদি ১ হেক্টরও হয় তাহলে তাকে অরণ্য বলে বিবেচনা করা হয়।

কিয়োটো প্রোটোকলের সিওপি অনুসারে যেকোন দেশের বনাঞ্চল নির্ধারণের ক্ষেত্রে সেই দেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে। বৃক্ষরাজির মাধ্যমে বনাঞ্চল তৈরি হলে সেক্ষেত্রে বনের এলাকা নির্ধারণের জন্য বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। ভারতে ন্যূনতম ১ হেক্টর জমিতে গাছ থাকলে সেটিকে বন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভারতের বনাঞ্চল নির্ধারণের জন্য যে নিয়মগুলি মেনে চলা হয় সেই নিয়মকে জলবায়ু সংক্রান্ত রাষ্ট্রসংঘের কনভেনশন (ইউএনএফসিসিসি) এবং খাদ্য ও কৃষি সংগঠন মান্যতা দিয়েছে।

লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে।