ডিজিটাল; ১৪ এপ্রিল: গত ১৩ই এপ্রিল বর্ডার ফাঁড়ি বয়রাঘাট, ৭৮ বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF), সেক্টর মালদা, ১ জন ভারতীয় সোনা পাচারকারীকে ৯৩৩.০৭০ গ্রাম সোনার ৮ টি বিস্কুট সহ মুর্শিদাবাদ জেলার আন্তর্জাতিক ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ধরা পড়ে। জব্দ করা সোনার বিস্কুটের মোট মূল্য ৪৯,৮৮,১৯২ টাকা।
বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সীমান্তে অবস্থিত পিরোজপুর গ্রাম থেকে সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল আরোহীর জুতা থেকে ৮টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করা হয়। এসব সোনার বিস্কুট বাংলাদেশ থেকে ভারতে আনার চেষ্টা করছিল চোরাকারবারিরা। পাচারকারীর নাম আনসার আলী , জেলা- মুর্শিদাবাদ।
জানা গেছে , ৫০০ টাকার লোভে এক জোড়া জুতো ও চোরাকারবারি হয়েছিল।
জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় চোরাকারবারী জানায় যে ১৩ এপ্রিল সকাল ৭টার দিকে সে আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে তার গবাদি পশু চরাতে গিয়েছিল, তখন একজন অচেনা বাংলাদেশী তাকে একজোড়া জুতা দিয়ে লোভ দেখায় । জিনিসটি সেলো টেপ দিয়ে বেঁধে বলে যে এটি একটি সেল (ব্যাটারি), এটি ভারতে ইতিমধ্যেই নির্ধারিত জায়গায় একজন ভারতীয়কে দিতে হবে। জিনিসটি দেওয়ার পর ভারতীয় নাগরিকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা ও এক জোড়া জুতা নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মালামাল পাচারের আগেই সীমান্তরক্ষীরা তাকে ধরে ফেলে।
চোরাকারবারিদের সোনার বিস্কুটসহ কাস্টমস জঙ্গিপুরে হস্তান্তর করা হয়েছে, যাতে বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে চোরাকারবারিদের আটক করা যায়।
দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার জনসংযোগ আধিকারিক এবং ডিআইজি সুরজিত সিং গুলেরিয়া বলেছেন যে বিএসএফ জওয়ানরা চোরাকারবারীদের প্রতিটি কৌশল ব্যর্থ করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী কৃষক, তরুণ-তরুণী, ছাত্রসহ অন্য মানুষ যেন চোরাকারবারিদের দেওয়া কয়েক টাকার লোভে না পড়ে। কঠোর নির্দেশনা দিয়ে মিঃ গুলেরিয়া বলেছেন যে চোরাকারবারিদের চোরাচালানের পথ ছেড়ে মূল স্রোতে যোগ দিতে হবে, অন্যথায় তাদের রেহাই দেওয়া হবে না।
