কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য মাধবরাও সিন্ধিয়া আজ ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে জব্বলপুর-দিল্লি রুটে ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবার সূচনা করেছেন। এই উপলক্ষে বিভাগীয় প্রতিমন্ত্রী জেনারেল ডঃ ভি কে সিং (অবসরপ্রাপ্ত), মন্ত্রকের সচিব প্রদীপ খারোলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান সম্মানীয় অতিথি হিসাবে ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

জব্বলপুর-দিল্লি রুটে বিমান পরিষেবার সূচনা করে সিন্ধিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুদক্ষ নেতৃত্বে গত সাত বছরে ভারতে অসামরিক বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রের উদারীকরণ ঘটেছে। এক সময় বিমানে সফর সাধারণ মানুষের কাছে স্বপ্ন ছিল। আজ তা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। মধ্যপ্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর জব্বলপুর। তাই, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধায় এই শহরটির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ঐ দিন থেকে জব্বলপুর জাতীয় রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি অতিরিক্ত বিমান পরিষেবা পাচ্ছে। দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ের সঙ্গেও জব্বলপুরের বিমান পথে যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। শীঘ্রই জব্বলপুরের সঙ্গে ইন্দোর ও হায়দরাবাদের বিমান পরিষেবা শুরু হবে। সিন্ধিয়া আরও জানান, গত ৩৫ দিনে কেবল মধ্যপ্রদেশ থেকেই ৪৪টি নতুন বিমান পরিষেবা চালু হয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি পরিষেবার সঙ্গে জব্বলপুর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, মহামারী সত্ত্বেও পুরনো বিমান রুটগুলির কেবল পুনরুজ্জীবন ঘটানোই হচ্ছে না, সেই সঙ্গে নতুন রুটেও বিমান পরিষেবা চালু করা হচ্ছে।

সিন্ধিয়া বলেন, আজ জব্বলপুর বিমান বন্দর থেকে কেবল নতুন রুটে পরিষেবার সূচনাই হ’ল না, সেই সঙ্গে বিমান বন্দরের সার্বিক উন্নয়নে ৪২১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ কাজে লাগিয়ে ১০ হাজার বর্গ ফুট জুড়ে একটি নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হবে। বিমানবন্দরে নতুন এটিসি টাওয়ার বসানো হবে। বর্তমানে চালু রানওয়ে’টির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৯৫০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৭৫০ মিটার করা হবে। এর ফলে, বড় আকারের বিমানগুলিও এখানে ওঠা-নামা করতে পারবে।

উল্লেখ করা যেতে পারে, বেসরকারি ইন্ডিগো বিমান সংস্থা ৬৯তম অন্তর্দেশীয় গন্তব্য জব্বলপুর। জব্বলপুরের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু করার উদ্দেশ্যই হ’ল শহরটিতে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটন ক্ষেত্রের প্রসার ঘটানো।