ভারতের নির্বাচন কমিশন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে আজ একটি বৈঠক করেছে। এরপর কমিশন গোয়া, মণিপুর, পাঞ্জাব, উত্তরাখন্ড ও উত্তরপ্রদেশ- অর্থাৎ যে রাজ্যগুলিতে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেই রাজ্যগুলির মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য সচিব ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র, অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার এবং অনুপ চন্দ্র পান্ডে ও উপনির্বাচন কমিশনাররা একযোগে অংশ নেন। এই ৫টি রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে সার্বিকভাবে আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে টিকার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ দেওয়ার পন্থা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়। কমিশন মহামারীর সময়কালে বহু মানুষের এক জায়গায় জড়ো হওয়ার বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা করেছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে :

১) আগামী ২২ শে জানুয়ারি পর্যন্ত কোনো পথসভা, পদযাত্রা, সাইকেল, বাইক বা যানবাহন নিয়ে মিছিল করা যাবেনা। কমিশন পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেবে।

২) রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীরা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো মিছিল ২২শে জানুয়ারি পর্যন্ত করতে পারবেন না।

৩) তবে রাজনৈতিক দলগুলি যদি চায় তাহলে ঘেরা জায়গায় মিটিং করা যাবে। সেক্ষেত্রে কমিশন কিছু ছাড় দিয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এই ধরণের মিটিং-এ সর্বোচ্চ ৩০০ জন অথবা যেখানে মিটিং হবে সেখানে ৫০ শতাংশ আসনে মানুষ বসতে পারবেন। আর কেউ সেই মিটিং-এ ঢুকতে পারবেন না।

৪) রাজনৈতিক দলগুলিকে কোভিড আচরণবিধি ও আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।

৫) ৮ জানুয়ারি নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সংশোধিত নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী যেসব বিধি-নিষেধ আরোপিত হয়েছে সেগুলি যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।

এই নির্দেশগুলি যথাযথভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা সেটি সংশ্লিষ্ট রাজ্য/জেলা কর্তৃপক্ষকে দেখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: পি আই বি