
ওয়েবডেস্ক, ১৯ জুলাই,২০২০, কলকাতাঃ
কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার তথা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির নিরন্তর প্রয়াসের দরুণ সঠিক সময়ে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান সুনিশ্চিত করে দেশে করোনায় মৃত্যু হার এই প্রথমবার ২.৫ শতাংশের নীচে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। সংক্রমণ প্রতিরোধে উপযুক্ত কৌশল, ব্যাপক হারে নমুনা পরীক্ষা এবং আদর্শ পদ্ধতি মেনে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ফলে করোনায় মৃত্যু হার লক্ষ্যণীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। একাধিক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দরুণ মৃত্যু হার নিরন্তর কমছে এবং বর্তমানে এই হার দাঁড়িয়েছে ২.৪৯ শতাংশে। বিশ্বে মৃত্যু হারের তুলনায় ভারতে মৃত্যু হার তুলনামূলক কম।
কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী, রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে সরকারি-বেসরকারি ক্ষেত্রকে একত্রিত করে নমুনা পরীক্ষার হার ও হাসপাতাল পরিকাঠামো ব্যবস্থায় সামগ্রিক উন্নয়ন করা হয়েছে। একাধিক রাজ্যে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার জন্য গণসমীক্ষা পরিচালিত করেছে। এছাড়াও, মোবাইল অ্যাপের মতো প্রযুক্তির সহায়তায় ঝুঁকিসম্পন্ন মানুষকে সংক্রমণের বাইরে রাখা যেমন সম্ভব হয়েছে, তেমনই এদের ওপর নিরন্তর নজর রেখে আগাম চিহ্নিতকরণের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়েছে। তৃণমূল স্তরে আশা এবং এএনএম কর্মীদের মাধ্যমে সর্বজনীন স্তরে সচেতনতা অভিযান চালনো হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে আগাম সতর্ক করা হয়েছে। এই সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ২৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে করোনায় মৃত্যু হার জাতীয় গড়ের তুলনায় কম হয়েছে। এমনকি, ৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মৃত্যু হার শূন্যে পৌঁছেছে। বাকি ১৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মৃত্যু হার ১ শতাংশেরও কম।
পি আই বি
