ডিজিটাল ; ২৫ মার্চ: ২০০২ এবং ২০১২ সালে শহুরে বস্তির ওপর ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অফিস (এনএসএসও)এর সমীক্ষা অনুসারে বস্তির সংখ্যা ৫১ হাজার ৬৮৮ থেকে কমে ৩৩ হাজার ৫১০ হয়েছে। সম্প্রতি লোকসভায় লিখিত উত্তরে আবাসন ও নগর বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কৌশল কিশোর তথ্য দিয়ে একথা জানান ।
ভূমি এবং বস্তি সংক্রান্ত বিষয় রাজ্যের। বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন সহ আবাসন সম্পর্কিত প্রকল্পগুলি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। এমনকি আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রক বস্তিবাসী সহ সমস্ত যোগ্য পরিবার/উপভোক্তাদের জন্য বাড়ি নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা- শহরাঞ্চলের আওতায় কেন্দ্রীয় সহায়তা দিয়ে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে যথাযথ সাহায্য করেছে। যোগ্য সুবিধাভোগীরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা- শহরাঞ্চলের আওতায় সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন সহ অন্যান্য সুবিধা পেয়ে থাকেন।এমনকি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জমা দেওয়া প্রকল্পগুলির ওপর ভিত্তি করে প্রতি বাড়ি নির্মাণে ১ লক্ষ টাকা কেন্দ্রীয় সহায়তা প্রদান করা হয়। যথাযথ স্থানে অবস্থিত বস্তি পুনঃউন্নয়ন (আইএসএসআর)-এর আওতায় বস্তিবাসীদের জন্য এ পর্যন্ত মোট ৪,৫১,০৫০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য এবং স্যানিটেশন রাজ্যের বিষয়। বস্তি সহ সমস্ত শহুরে এলাকায় জনস্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন জোরদার করার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারের ওপর বর্তায়। কেন্দ্রীয় সরকার অটল মিশন ফর রিজুভেনেশন অ্যান্ড আর্বান ট্রান্সফরমেশন, স্বচ্ছ ভারত মিশন- আর্বান, ন্যাশনাল হেল্থ মিশন সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে যথাযথ সাহায্য করে চলেছে। বস্তি এলাকা সহ দেশের শহুরে দরিদ্রদের জন্য জনস্বাস্থ্য এবং স্যানিটেশনের সুবিধার্থে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
