ডিজিটাল: যেকোনো গৃহস্থের বাড়িতে চটজলদি খাবার ডাল চালে খিচুড়ি। এই চটজলদি খাবারের রয়েছে বিশেষ পুষ্টিগত গুনাগুন। সেই গুনাগুন সম্পর্কে জানাচ্ছেন চন্দ্রিমা চৌধুরী।

বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণে ভরপুর খিচুড়ি :

খিচুড়িতে আছে চাল,ডাল, ঘি,মসলা আরো নানান ধরনের উপাদান। এসব উপাদান থেকে কার্বোহাইড্রেট ,প্রোটিন, ফ্যাট,ডায়েটারি ফাইবার, ভিটামিন সি,ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম,ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাসিয়াম যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

খিচুড়ি সহজে হজমযোগ্য এবং বিপাক ক্রিয়া বা মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে।

ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে।

ওজন হ্রাসে সহায়তা করে:খিচুড়ি পেটে অনেক্ক্ষণ থাকে ফলে সহজে বার বার ক্ষুধা লাগে না এবং শরীরে শক্তি জোগায়।

খিচুড়ি গ্লুটেন ফ্রী তাই গ্লুটেন সেনসেটিভিটির জন্য এবং সিলিয়াক ডিজিজের রোগীদের জন্য এটি উপাদেয়।

খিচুড়িতে হলুদ ব্যবহৃত হয় যাতে আছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি গুণ, তাই এটি সর্দি,কাশি,অ্যালার্জি,সিজনাল ঠান্ডা লাগার অসুখ ইত্যাদির হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও খিচুড়িতে ব্যবহৃত পেঁয়াজে আছে অ্যান্টিহিস্টামিন উপাদান।

খিচুড়িতে থাকে ডাল আর মাংস যা প্রয়োজনীয় প্রোটিন জোগায় এবং মাংসপেশির জন্য খুবই উপকারী।