দেশের করোনা সংক্রমণ আবার ধীরে ধীরে বাড়ছে, বিশেষজ্ঞদের মতে করোনা সংক্রমনের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে।
গতবছর করোনা মহামারীর পুরনো স্মৃতি ধীরে ধীরে যেন ফিরে আসতে চলেছে। তাও মানুষের মধ্যে মাস্ক এবং দূরত্ববিধি বজায় রাখার যে সচেতনতা তা প্রায় নেই বললেই চলে।
দেশের মতন রাজ্যের পরিস্থিতিও একই রকম। বাংলাতেও ধীরে ধীরে করোনায় নতুন সংক্রমনের সংখ্যা বাড়ছে। শহরের জীবনযাত্রা চলাচলের অন্যতম প্রাণ হলো মেট্রোরেল। যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে তাতে মেট্রোরেল কতৃপক্ষ বেশ অনেকটাই চিন্তিত হতে হয়ে পড়েছিল। করোনার পর সেপ্টেম্বর মাস থেকে মেট্রো রেল পরিষেবা চালু হবার পর প্রাথমিকভাবে ইপাশের ব্যবস্থা ছিল তখন সারাদিন মেট্রো রেল পরিষেবায় নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী চলাচল করতে পারতেন। সে ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও বজায় থাকত দূরত্ববিধি। ধীরে ধীরে ইপাশের করাকরি হ্রাস করা হয়। তারপরে উঠে যায় ইপাশের ব্যবস্থা। এখন অবশ্য যাদের কাছে মেট্রো স্মার্ট কার্ড রয়েছে তারাই শুধুমাত্র মেট্রো সফল করতে পারবেন। মাঝে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ওপেন ব্যবস্থা চালু করার। কিন্তু পরে সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়। মেট্রো কর্মরত একাংশ কর্মীদের বক্তব্য বাড়িতে থাকা সংক্রমণের কারণে এই সিদ্ধান্ত স্থগিত হয়। কিন্তু বর্তমান কালে দেখা যাচ্ছে পুরনো সময় এর মতনই এখন মেট্রো তে ভিড় হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে দূরত্ব বৃদ্ধি কোনভাবেই বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ইদানিংকালে বেশকিছু মেট্রো যাত্রী মাস্ক ছাড়াই মেট্রো সফর করছেন।
এখন থেকে আরও কড়া হচ্ছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।এবার থেকে মেট্রো সফর করতে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। যদি কোন যাত্রীকে মাস্ক ছাড়া মেট্রো সফর করতে দেখা যায় সেক্ষেত্রে ২০০ টাকা জরিমানা হবে।
এই মর্মে স্টেশনগুলোতে নোটিশ জারি করেছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
সূত্রের দাবি, মেট্রো রেলের নিরাপত্তা কর্মীদেরও সতর্ক করা হয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।
তবে মেট্রোর একাংশ যাত্রীর কথায় মাস্ক স্যানিটাইজেশন এই সব ঠিক আছে কিন্তু সেক্ষেত্রে অফিস টাইমে দূরত্ববিধি কিভাবে সামলানো যাবে? কিছু যাত্রীদের কথায় কোন যাত্রীর মুখে মাক্স না থাকলে কেউ কিছু বলতে গেলে অপর দিক থেকে দু-চার কথা শুনতে হয়। এই জরিমানার ফলে সবাই অন্তত মুখে মাক্স পড়বেন।
